গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার আলোচিত কার্তিক (৩৫) হত্যা মামলার মূল দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে গাছা থানা পুলিশ।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানাধীন মাশাইল বাজার এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো—গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানার খুরাইদ এলাকার মৃত ফারুকের ছেলে মো. শিমুল মিয়া (২৫) এবং একই এলাকার মৃত জবেদ আলীর ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফালান (৪৯)। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে গাছা থানার কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকায় বসবাস করে আসছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর গাছা থানায় কার্তিক হত্যার ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ৪২, ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড)। নিহত কার্তিক কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকার সুশীল চন্দ্র শীলের ছেলে।
ঘটনার পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেলে গাছা থানার এসআই মো. সাইফুল আলম, এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন ও এএসআই মো. ইব্রাহিম মিয়ার সমন্বয়ে গঠিত গাছা থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার আলোচিত কার্তিক (৩৫) হত্যা মামলার মূল দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে গাছা থানা পুলিশ।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানাধীন মাশাইল বাজার এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো—গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানার খুরাইদ এলাকার মৃত ফারুকের ছেলে মো. শিমুল মিয়া (২৫) এবং একই এলাকার মৃত জবেদ আলীর ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফালান (৪৯)। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে গাছা থানার কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকায় বসবাস করে আসছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর গাছা থানায় কার্তিক হত্যার ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ৪২, ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড)। নিহত কার্তিক কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকার সুশীল চন্দ্র শীলের ছেলে।
ঘটনার পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেলে গাছা থানার এসআই মো. সাইফুল আলম, এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন ও এএসআই মো. ইব্রাহিম মিয়ার সমন্বয়ে গঠিত গাছা থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন