শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
শ্রমিকদের জীবন যাত্রার ব্যয় ও পে-স্কেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেখে গার্মেন্টস শিল্পে আগামী ৩ বছরের জন্য নূন্যতম মজুরি ৩৭ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ৪টি জোটের ৩৫ টি শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
আজ ২৬ অক্টোবর সকাল ১১ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে গার্মেন্টস সেক্টরের ৪ টি জোটের ৩৫ টি ফেডারেশনের এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত দাবি উত্থাপন করেন সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী শ্রমিক প্রতিনিধিরা। এতে সভাপতিত্ব করেন জোটের ও স্কপের শীর্ষ নেতা সাবেকএমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মো:আবু জাফর। সংবাদ সম্মেলনে মজুরি নিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জোটের নেতা খালেকুজ্জামান লিপন। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন জোটে শীর্ষ নেতা নাহিদুল ইসলাম নয়ন।
সুচনা বক্তব্য রাখেন জোটের শীর্ষ নেতা আবুল হোসেন।সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস এন্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজন, নঈমুল আহসান জুয়েল, লাভলী ইয়াসমীন, বাচ্চু মিয়া, আাসদ চৌধুরী, সালেহা ইসলাম সান্তনা, সুমাইয়া ইসলাম, শামীমা আক্তার, বাপ্পীদেব বর্মণ।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, মজুরি নির্ধারণ করার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন যেমন আছে;তেমনই বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫ নং অনুচ্ছেদে মজুরি নির্ধারণ করার জন্য গাইড লাইন দেওয়া আছে। বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৪১ ধারাতে মজুরি নির্ধারণ করতে সুনির্দিষ্ট করতে ১১ টি মানদন্ড বিবেচনা নেওয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশনা দওয়া আছে। শ্রম আইনের ১৪১ ধারাতে " জীবনযাপন ব্যয়,জীবন যাপন মান, উৎপাদন খরচ, উৎপাদনশীলতা, উৎপাদিত দ্রব্যের মূল্য, মুদ্রাস্ফীতি, কাজের ধরন ঝুঁকি ও মান, ব্যবসায়িক সামর্থ্য, দেশের ও সংশ্লিষ্ট এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করতে হবে।" ৪ টি জোটের ৩৫ টি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে উপরোক্ত আইন মেনেই ১১ টি মানদন্ড বিশ্লেষণ করেই ৩৭ হাজার বা ৩০০ ডলার মজুরি নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ আরোও বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানী আয়ের শীর্ষ সেক্টর হচ্ছে গার্মেন্টস শিল্প। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার। মোট রপ্তানি হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন ডলার।এর মধ্যে এককভাবে গার্মেন্টস সেক্টরের রপ্তানি হল ৩৮.৭০ বিলিয়ন ডলার। যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮১ ভাগ। আমরা যদি শেষ ১০ বছরের হিসাব করি তাহলে দেখা যাবে গার্মেন্টস কারখানা কমেছে, শ্রমিক সংখ্যা কমেছে কিন্ত তার রপ্তানীর পরিমান বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মোট রপ্তানি আয় ছিল ৩১.২০ বিলিয়ন ডলার। সেখানে ২৫.৪৯ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছিল গার্মেন্টস শিল্প থেকে। ১০ বছরে ১৩.২১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানী আয় বেড়েছে অর্থাৎ গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি বাড়ছে। রপ্তানি বেড়ছে, কিন্ত গার্মেন্টস কারখানা ও শ্রমিক সংখ্যা অনেক কমে গেছে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই রপ্তানী আয়ে যে শিল্প শীর্ষে, তার মূল কারিগর শ্রমিকের মজুরি থাকবে সবচেয়ে নিন্মে তা কখনোই জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহনযোগ্য হতে পারে না।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ আরোও বলেন, মাথাপিছু আয়ের গড়, দারিদ্র্য সীমার উপরে মজুরি রাখা, সিপিডির হিসাব, জাতিসংঘের হিসাবসহ বিভিন্ন গবেষনা প্রতিষ্ঠানের হিসাব মাথায় নিলে একজন শ্রমিকের কারো হিসাবে ৭০ হাজার, ৬৪ হাজার, ৬০ হাজার বা ৫৭ হাজার টাকার নীচে নামে না। জোট সমস্ত হিসাবকে মাথায় রেখে পরিবারে প্রধান আয়কারি ৬০% আয় করলেও একজনকে কমপক্ষে মাসে ৩৭/৩৮ হাজার টাকা মাসে আয় করতে হবে।এখানে বাবা মায়ের দায়িত্ব, বিনোদন, আকস্মিক অসুস্থতা, ঈদ-পুজা উৎসব খরচ ও বাড়ি যাওয়া-আসার যাতায়াত খরচ এ হিসাবে ধরা হয়নি। এগুলো ছাড়া কি মানুষের জীবন চলে?
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে বা আমাদের দেশেও অনেক অর্থনীতিবিদ সাধারণত খাদ্য ব্যয় ৫০ শতাংশ ও খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় ৫০ শতাংশ ধরে শ্রমিকদের নিন্মতম মজুরি হিসাব করে। সেই হিসাব করলে ৪ জনের পরিবারের খাবার খরচ ৩৫ হাজার ০৮০ টাাকা হলে একটা পরিবারের মোট খরচ প্রয়োজন ৭০ হাজার টাকা। খাদ্য বহির্ভূত খরচ ধরে হিসাব করলে প্রয়োজন ৫৭ হাজার টাকা। ৪ টি জোটের ৩৫ টি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে শ্রম আইনের ১৪১ এ নির্ধারিত মজুরি মানদন্ড, সরকারি পে-স্কেল, বিবিএস বিশেষ জরিপ ২০২৫ রিপোর্ট, বাজার দর, জীবন যাপন ব্যয়, দারিদ্র্য সীমা অতিক্রম, মাথাপিছু আয়, উৎপাদনশীলতা, মূল্য সংযোজন, প্রতিযোগী দেশসমুহের নিন্মতম মজুরি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার গবেষনা রিপোর্ট, মালিকের সক্ষমতা ও অন্যান্য বাস্তবতা বিবেচনায় নিয় একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের সহকারি অপারেটর পদে বা শুরুতে নিন্মতম মজুরি ৩৭,১২৫ টাকা বা ৩০০ ডলার নির্ধারণ করার জন্য ৪ টি জোটের ৩৫ টি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একইসাথে নিন্মতম মজুরি বোর্ড গঠন ও সেখানে প্রকৃত শ্রমিক পক্ষের সদস্যকে মনোয়ন দেওয়ার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
শ্রমিকদের জীবন যাত্রার ব্যয় ও পে-স্কেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেখে গার্মেন্টস শিল্পে আগামী ৩ বছরের জন্য নূন্যতম মজুরি ৩৭ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ৪টি জোটের ৩৫ টি শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
আজ ২৬ অক্টোবর সকাল ১১ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে গার্মেন্টস সেক্টরের ৪ টি জোটের ৩৫ টি ফেডারেশনের এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত দাবি উত্থাপন করেন সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী শ্রমিক প্রতিনিধিরা। এতে সভাপতিত্ব করেন জোটের ও স্কপের শীর্ষ নেতা সাবেকএমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মো:আবু জাফর। সংবাদ সম্মেলনে মজুরি নিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জোটের নেতা খালেকুজ্জামান লিপন। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন জোটে শীর্ষ নেতা নাহিদুল ইসলাম নয়ন।
সুচনা বক্তব্য রাখেন জোটের শীর্ষ নেতা আবুল হোসেন।সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস এন্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজন, নঈমুল আহসান জুয়েল, লাভলী ইয়াসমীন, বাচ্চু মিয়া, আাসদ চৌধুরী, সালেহা ইসলাম সান্তনা, সুমাইয়া ইসলাম, শামীমা আক্তার, বাপ্পীদেব বর্মণ।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, মজুরি নির্ধারণ করার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন যেমন আছে;তেমনই বাংলাদেশের সংবিধানে ১৫ নং অনুচ্ছেদে মজুরি নির্ধারণ করার জন্য গাইড লাইন দেওয়া আছে। বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৪১ ধারাতে মজুরি নির্ধারণ করতে সুনির্দিষ্ট করতে ১১ টি মানদন্ড বিবেচনা নেওয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশনা দওয়া আছে। শ্রম আইনের ১৪১ ধারাতে " জীবনযাপন ব্যয়,জীবন যাপন মান, উৎপাদন খরচ, উৎপাদনশীলতা, উৎপাদিত দ্রব্যের মূল্য, মুদ্রাস্ফীতি, কাজের ধরন ঝুঁকি ও মান, ব্যবসায়িক সামর্থ্য, দেশের ও সংশ্লিষ্ট এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করতে হবে।" ৪ টি জোটের ৩৫ টি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে উপরোক্ত আইন মেনেই ১১ টি মানদন্ড বিশ্লেষণ করেই ৩৭ হাজার বা ৩০০ ডলার মজুরি নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ আরোও বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানী আয়ের শীর্ষ সেক্টর হচ্ছে গার্মেন্টস শিল্প। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার। মোট রপ্তানি হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন ডলার।এর মধ্যে এককভাবে গার্মেন্টস সেক্টরের রপ্তানি হল ৩৮.৭০ বিলিয়ন ডলার। যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮১ ভাগ। আমরা যদি শেষ ১০ বছরের হিসাব করি তাহলে দেখা যাবে গার্মেন্টস কারখানা কমেছে, শ্রমিক সংখ্যা কমেছে কিন্ত তার রপ্তানীর পরিমান বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মোট রপ্তানি আয় ছিল ৩১.২০ বিলিয়ন ডলার। সেখানে ২৫.৪৯ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছিল গার্মেন্টস শিল্প থেকে। ১০ বছরে ১৩.২১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানী আয় বেড়েছে অর্থাৎ গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি বাড়ছে। রপ্তানি বেড়ছে, কিন্ত গার্মেন্টস কারখানা ও শ্রমিক সংখ্যা অনেক কমে গেছে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই রপ্তানী আয়ে যে শিল্প শীর্ষে, তার মূল কারিগর শ্রমিকের মজুরি থাকবে সবচেয়ে নিন্মে তা কখনোই জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহনযোগ্য হতে পারে না।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ আরোও বলেন, মাথাপিছু আয়ের গড়, দারিদ্র্য সীমার উপরে মজুরি রাখা, সিপিডির হিসাব, জাতিসংঘের হিসাবসহ বিভিন্ন গবেষনা প্রতিষ্ঠানের হিসাব মাথায় নিলে একজন শ্রমিকের কারো হিসাবে ৭০ হাজার, ৬৪ হাজার, ৬০ হাজার বা ৫৭ হাজার টাকার নীচে নামে না। জোট সমস্ত হিসাবকে মাথায় রেখে পরিবারে প্রধান আয়কারি ৬০% আয় করলেও একজনকে কমপক্ষে মাসে ৩৭/৩৮ হাজার টাকা মাসে আয় করতে হবে।এখানে বাবা মায়ের দায়িত্ব, বিনোদন, আকস্মিক অসুস্থতা, ঈদ-পুজা উৎসব খরচ ও বাড়ি যাওয়া-আসার যাতায়াত খরচ এ হিসাবে ধরা হয়নি। এগুলো ছাড়া কি মানুষের জীবন চলে?
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে বা আমাদের দেশেও অনেক অর্থনীতিবিদ সাধারণত খাদ্য ব্যয় ৫০ শতাংশ ও খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় ৫০ শতাংশ ধরে শ্রমিকদের নিন্মতম মজুরি হিসাব করে। সেই হিসাব করলে ৪ জনের পরিবারের খাবার খরচ ৩৫ হাজার ০৮০ টাাকা হলে একটা পরিবারের মোট খরচ প্রয়োজন ৭০ হাজার টাকা। খাদ্য বহির্ভূত খরচ ধরে হিসাব করলে প্রয়োজন ৫৭ হাজার টাকা। ৪ টি জোটের ৩৫ টি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে শ্রম আইনের ১৪১ এ নির্ধারিত মজুরি মানদন্ড, সরকারি পে-স্কেল, বিবিএস বিশেষ জরিপ ২০২৫ রিপোর্ট, বাজার দর, জীবন যাপন ব্যয়, দারিদ্র্য সীমা অতিক্রম, মাথাপিছু আয়, উৎপাদনশীলতা, মূল্য সংযোজন, প্রতিযোগী দেশসমুহের নিন্মতম মজুরি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার গবেষনা রিপোর্ট, মালিকের সক্ষমতা ও অন্যান্য বাস্তবতা বিবেচনায় নিয় একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের সহকারি অপারেটর পদে বা শুরুতে নিন্মতম মজুরি ৩৭,১২৫ টাকা বা ৩০০ ডলার নির্ধারণ করার জন্য ৪ টি জোটের ৩৫ টি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একইসাথে নিন্মতম মজুরি বোর্ড গঠন ও সেখানে প্রকৃত শ্রমিক পক্ষের সদস্যকে মনোয়ন দেওয়ার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন