সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁর ধামইরহাটে সম্পদ ও স্বর্ণালংকারের লোভসহ নানা বিরোধের জেরে বড় বোন হালিমা বেগমকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাই ও ভাবীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে। ক্লুলেস এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের পাশাপাশি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ১৯ অক্টোবর সকালে ধামইরহাটের ছিলিমপুর গ্রামের বাঁশঝাড়সংলগ্ন ধানখেতের আইল থেকে ৬৫ বছর বয়সী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর এক কানের লতি কাটা এবং অন্য কানের লতি ছেঁড়া ছিল।
এ ঘটনায় হত্যা মামলা হওয়ার পর নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তদন্তে নামে পুলিশের বিশেষ দল। অভিযান চালিয়ে প্রথমে নিহতের ছোট ভাই মজনু রহমান ও তাঁর স্ত্রী হোসনে আরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রবিউল ইসলাম, হামিদুর রহমান ও মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, নিহতের স্বর্ণালংকার, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির প্রতি লোভ, সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ এবং মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল।
পুলিশের দাবি, ঘটনার আগের রাতে হালিমাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ বাঁশঝাড়ের পাশে ফেলে রাখা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি ও ওড়নাও জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্য কোনো তথ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
অপরাধ দমন ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তৎপর থাকার কথা জানিয়েছে নওগাঁ জেলা পুলিশ।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁর ধামইরহাটে সম্পদ ও স্বর্ণালংকারের লোভসহ নানা বিরোধের জেরে বড় বোন হালিমা বেগমকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাই ও ভাবীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে। ক্লুলেস এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের পাশাপাশি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ১৯ অক্টোবর সকালে ধামইরহাটের ছিলিমপুর গ্রামের বাঁশঝাড়সংলগ্ন ধানখেতের আইল থেকে ৬৫ বছর বয়সী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর এক কানের লতি কাটা এবং অন্য কানের লতি ছেঁড়া ছিল।
এ ঘটনায় হত্যা মামলা হওয়ার পর নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তদন্তে নামে পুলিশের বিশেষ দল। অভিযান চালিয়ে প্রথমে নিহতের ছোট ভাই মজনু রহমান ও তাঁর স্ত্রী হোসনে আরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রবিউল ইসলাম, হামিদুর রহমান ও মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, নিহতের স্বর্ণালংকার, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির প্রতি লোভ, সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ এবং মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল।
পুলিশের দাবি, ঘটনার আগের রাতে হালিমাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ বাঁশঝাড়ের পাশে ফেলে রাখা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি ও ওড়নাও জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্য কোনো তথ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
অপরাধ দমন ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তৎপর থাকার কথা জানিয়েছে নওগাঁ জেলা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন