বিপ্লব মল্লিক মোংলা, বাগেরহাটঃ
বাগেরহাটের রামপালে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মো. খাইরুল ইসলাম (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও ৩-৪ জন পালিয়ে যায়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কাপাসডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার খাইরুল ইসলাম কাপাসডাঙ্গা গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ জানায়, এসআই (নিঃ) রিপন চ্যাটার্জীর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল বিশেষ অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, কাপাসডাঙ্গা গ্রামের মো. খাইরুল ইসলামের বাড়ির সামনে ইটের রাস্তার ওপর কয়েকজন ব্যক্তি ইয়াবা কেনাবেচা করছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কেনাবেচায় জড়িত ব্যক্তিরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া করে খাইরুল ইসলামকে আটক করা হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা আরও ৩-৪ জন পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার খাইরুল ইসলামের পরিহিত প্যান্টের পকেট তল্লাশি করে ১০০ পিস হালকা কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার মোট ওজন ১০ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ৩০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খাইরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ৩-৪ জনের সঙ্গে যোগসাজশে রামপালসহ বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা কেনাবেচার কথা স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের জন্য রামপাল থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বিপ্লব মল্লিক মোংলা, বাগেরহাটঃ
বাগেরহাটের রামপালে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মো. খাইরুল ইসলাম (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও ৩-৪ জন পালিয়ে যায়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কাপাসডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার খাইরুল ইসলাম কাপাসডাঙ্গা গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ জানায়, এসআই (নিঃ) রিপন চ্যাটার্জীর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল বিশেষ অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, কাপাসডাঙ্গা গ্রামের মো. খাইরুল ইসলামের বাড়ির সামনে ইটের রাস্তার ওপর কয়েকজন ব্যক্তি ইয়াবা কেনাবেচা করছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কেনাবেচায় জড়িত ব্যক্তিরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া করে খাইরুল ইসলামকে আটক করা হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা আরও ৩-৪ জন পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার খাইরুল ইসলামের পরিহিত প্যান্টের পকেট তল্লাশি করে ১০০ পিস হালকা কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার মোট ওজন ১০ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ৩০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খাইরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ৩-৪ জনের সঙ্গে যোগসাজশে রামপালসহ বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা কেনাবেচার কথা স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের জন্য রামপাল থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন