সাজু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি:
বগুড়ার শিবগঞ্জে করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ কৃষ্ণপুর মন্ডলপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন শিবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিকুল ইসলাম।
অভিযানকালে নদী থেকে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গাবতলী উপজেলার আটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে রানু (৩৫) এবং একই উপজেলার সুলতানপুর (কাগইল) গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে রায়হানকে (২৫) প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, দক্ষিণ কৃষ্ণপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের শামীম ও হাসান আলী নিজেদের বাড়ি নির্মাণের জন্য বাড়ির পাশে করতোয়া নদী থেকে বালু উত্তোলন করছিলেন। তবে অভিযানকালে তাদের ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সাজু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি:
বগুড়ার শিবগঞ্জে করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ কৃষ্ণপুর মন্ডলপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন শিবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিকুল ইসলাম।
অভিযানকালে নদী থেকে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গাবতলী উপজেলার আটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে রানু (৩৫) এবং একই উপজেলার সুলতানপুর (কাগইল) গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে রায়হানকে (২৫) প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, দক্ষিণ কৃষ্ণপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের শামীম ও হাসান আলী নিজেদের বাড়ি নির্মাণের জন্য বাড়ির পাশে করতোয়া নদী থেকে বালু উত্তোলন করছিলেন। তবে অভিযানকালে তাদের ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন