লগইন
প্রাইম টিভি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোংলায় বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে সিম রিপ্লেসমেন্ট ও অর্থ হাতানো চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার।

মোংলায় বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে সিম রিপ্লেসমেন্ট ও অর্থ হাতানো চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার।

বিপ্লব মল্লিক ,মোংলা(বাগেরহাট)

বাগেরহাটের মোংলায় ক্লোনকৃত ফিঙ্গার ব্যবহার করে বিকাশ ও নগদের সিম তুলে সংঘবদ্ধ প্রতারণার ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চিলা বাজার এলাকায় দুই বিকাশ ও নগদ ব্যবসায়ীর ব্যবসায়িক সিম ব্যবহার করে প্রতারকচক্রটি আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে তিনটি ক্লোনকৃত সিম উত্তোলন করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করে। এভাবে চক্রটি প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা নগদ, ১১টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন এবং ২০টি সিম উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চিলা বাজার এলাকার দুই বিকাশ ও নগদ ব্যবসায়ীর ব্যবসায়িক সিমকে টার্গেট করে প্রতারকচক্রটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্লোনকৃত ফিঙ্গার ব্যবহার করে তিনটি সিম উত্তোলন করে। পরে ওই সিমগুলো ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা চালানো হয়। প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।

ঘটনার পর সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ১৮/২২/২৪/২৭ ধারায় মোংলা থানায় মামলা নম্বর-০১, তারিখ ০১/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মামলা করা হয়।

মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে জেলা পুলিশ ও এসআরবির সমন্বয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সংশ্লিষ্ট সিম পরীক্ষা করে প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধারকৃত আলামত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আসামিদের ঘটনার সঙ্গে প্রাথমিক সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোঃ জামিরুল ইসলাম বলেন,ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিকে শনাক্ত এবং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মোংলায় বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে সিম রিপ্লেসমেন্ট ও অর্থ হাতানো চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার।

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image



বিপ্লব মল্লিক ,মোংলা(বাগেরহাট)



বাগেরহাটের মোংলায় ক্লোনকৃত ফিঙ্গার ব্যবহার করে বিকাশ ও নগদের সিম তুলে সংঘবদ্ধ প্রতারণার ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চিলা বাজার এলাকায় দুই বিকাশ ও নগদ ব্যবসায়ীর ব্যবসায়িক সিম ব্যবহার করে প্রতারকচক্রটি আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে তিনটি ক্লোনকৃত সিম উত্তোলন করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করে। এভাবে চক্রটি প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা নগদ, ১১টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন এবং ২০টি সিম উদ্ধার করা হয়েছে।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চিলা বাজার এলাকার দুই বিকাশ ও নগদ ব্যবসায়ীর ব্যবসায়িক সিমকে টার্গেট করে প্রতারকচক্রটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্লোনকৃত ফিঙ্গার ব্যবহার করে তিনটি সিম উত্তোলন করে। পরে ওই সিমগুলো ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা চালানো হয়। প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।


ঘটনার পর সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ১৮/২২/২৪/২৭ ধারায় মোংলা থানায় মামলা নম্বর-০১, তারিখ ০১/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মামলা করা হয়।


মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে জেলা পুলিশ ও এসআরবির সমন্বয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।


গ্রেফতারকৃতদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সংশ্লিষ্ট সিম পরীক্ষা করে প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধারকৃত আলামত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আসামিদের ঘটনার সঙ্গে প্রাথমিক সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোঃ জামিরুল ইসলাম বলেন,ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিকে শনাক্ত এবং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি