বিপ্লব মল্লিক বাগেরহাটঃ
দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর পর মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মোংলা বন্দর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন পর ভোটের সুযোগ পেয়ে কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৭৭১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এ ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাচনে দুটি পরিষদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে সভাপতি পদে মোঃ সরোয়ার হোসেন খোকন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ সোবহান মোল্লার নেতৃত্বাধীন পরিষদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। অপরদিকে সভাপতি পদে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কাজী খুরশিদ আলম পল্টুর নেতৃত্বাধীন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ভোটকেন্দ্রে কর্মচারীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই ভোটগ্রহণ চলে। ভোটকেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকায় প্রশাসনিক ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীদের সমর্থক ও ভোটারদের উপস্থিতিতে পুরো নির্বাচনী এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে।
দীর্ঘদিন পর নির্বাচন হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যেও ছিল ব্যাপক আগ্রহ। নিজেদের পছন্দের নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য সকাল থেকেই ভোটাররা কেন্দ্রে এসে ভোট দেন। নির্বাচনকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মোংলা পোর্ট পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর যারা এ দেশ শাসন করেছে, সেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ব্যালটে বিশ্বাস করত না। তারা ম্যান চয়েজ করে রাতের আঁধারে ভোট করে দিত। আমরা এই প্রথম গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছি।
তিনি বলেন, মাননীয় নৌপরিবহন মন্ত্রীর ইচ্ছায় এবং জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যালটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণে বিশ্বাস করেন। সেই ধারাবাহিকতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জুলফিকার আলী আরও বলেন, এই নির্বাচন দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পরই ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্বাচন সম্পন্ন করা হচ্ছে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ শেষে নিয়ম অনুযায়ী ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মচারীদের অধিকার, কল্যাণ ও বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন ভোটাররা।
নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তীতে পাওয়া মাত্রই তা প্রকাশ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিপ্লব মল্লিক বাগেরহাটঃ
দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর পর মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মোংলা বন্দর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন পর ভোটের সুযোগ পেয়ে কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৭৭১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এ ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাচনে দুটি পরিষদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে সভাপতি পদে মোঃ সরোয়ার হোসেন খোকন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ সোবহান মোল্লার নেতৃত্বাধীন পরিষদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। অপরদিকে সভাপতি পদে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কাজী খুরশিদ আলম পল্টুর নেতৃত্বাধীন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ভোটকেন্দ্রে কর্মচারীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই ভোটগ্রহণ চলে। ভোটকেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকায় প্রশাসনিক ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীদের সমর্থক ও ভোটারদের উপস্থিতিতে পুরো নির্বাচনী এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে।
দীর্ঘদিন পর নির্বাচন হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যেও ছিল ব্যাপক আগ্রহ। নিজেদের পছন্দের নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য সকাল থেকেই ভোটাররা কেন্দ্রে এসে ভোট দেন। নির্বাচনকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মোংলা পোর্ট পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর যারা এ দেশ শাসন করেছে, সেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ব্যালটে বিশ্বাস করত না। তারা ম্যান চয়েজ করে রাতের আঁধারে ভোট করে দিত। আমরা এই প্রথম গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছি।
তিনি বলেন, মাননীয় নৌপরিবহন মন্ত্রীর ইচ্ছায় এবং জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যালটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণে বিশ্বাস করেন। সেই ধারাবাহিকতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জুলফিকার আলী আরও বলেন, এই নির্বাচন দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পরই ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্বাচন সম্পন্ন করা হচ্ছে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ শেষে নিয়ম অনুযায়ী ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মচারীদের অধিকার, কল্যাণ ও বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন ভোটাররা।
নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তীতে পাওয়া মাত্রই তা প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন