বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জনগণের মতামত ও ভোটাধিকারকে বিএনপি সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভক্ষণে দেওয়া বাণীতে রিজভী দলের প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং 'গণতন্ত্রের মা' মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সাথে তিনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বাণীর প্রধান দিকসমূহ:
প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য: দেশ ও জাতির চরম ক্রান্তিকালে শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির জন্ম হয়েছিল জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ ও শহীদ জিয়ার ১৯-দফা কর্মসূচিই দলটির মূল ভিত্তি।
গণতন্ত্র ও জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান: দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও নতুন সরকার: সাম্প্রতিক অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং জবাবদিহিমূলক জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে দল ও সরকার একযোগে কাজ করছে।
ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান: ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও বৈষম্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং দেশবাসীকে বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থেকে জনাব তারেক রহমানের সার্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান রিজভী।
বাণীতে তিনি আরও পুনর্ব্যক্ত করেন যে, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, পেশাজীবী ও নারী-শিশুসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি সর্বদা প্রস্তুত ও অঙ্গীকারবদ্ধ।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জনগণের মতামত ও ভোটাধিকারকে বিএনপি সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভক্ষণে দেওয়া বাণীতে রিজভী দলের প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং 'গণতন্ত্রের মা' মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সাথে তিনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বাণীর প্রধান দিকসমূহ:
প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য: দেশ ও জাতির চরম ক্রান্তিকালে শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির জন্ম হয়েছিল জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ ও শহীদ জিয়ার ১৯-দফা কর্মসূচিই দলটির মূল ভিত্তি।
গণতন্ত্র ও জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান: দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও নতুন সরকার: সাম্প্রতিক অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং জবাবদিহিমূলক জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে দল ও সরকার একযোগে কাজ করছে।
ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান: ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও বৈষম্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং দেশবাসীকে বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থেকে জনাব তারেক রহমানের সার্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান রিজভী।
বাণীতে তিনি আরও পুনর্ব্যক্ত করেন যে, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, পেশাজীবী ও নারী-শিশুসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি সর্বদা প্রস্তুত ও অঙ্গীকারবদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন