সুন্দরবনের নিরাপত্তা জোরদার, দস্যু দমন এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে বাগেরহাটের চিলা ইউনিয়নের জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ডের ভাসমান স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মো. জিয়াউল হক বলেন, দেশের সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধ, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো, জেলে ও উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগকালে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় কোস্ট গার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি জানান, সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে এবং বনদস্যুতা পুরোপুরি দমন করতে সরকারের নির্দেশনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
কোস্ট গার্ডের দাবি, ধারাবাহিক অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে দস্যু চক্রগুলোর কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন ও তাঁর সহযোগীরা কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।
মহাপরিচালক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যুদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মোংলার জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন হারবারিয়া স্থাপনের ফলে দস্যুদের রসদ, অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহের পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সুন্দরবনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন হারবারিয়ায় একদল দুর্বৃত্তের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপকূলীয় এলাকার জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রভাবে না গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখতে হবে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের নিরাপত্তা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও স্থানীয় জনগণের নিরাপদ জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করতে অপরাধসংক্রান্ত তথ্য কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ জানাতে অনুরোধ করেন।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের জনগণের নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ এবং উপকূলীয় ও সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
সুন্দরবনের নিরাপত্তা জোরদার, দস্যু দমন এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে বাগেরহাটের চিলা ইউনিয়নের জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ডের ভাসমান স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মো. জিয়াউল হক বলেন, দেশের সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধ, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো, জেলে ও উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগকালে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় কোস্ট গার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি জানান, সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে এবং বনদস্যুতা পুরোপুরি দমন করতে সরকারের নির্দেশনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
কোস্ট গার্ডের দাবি, ধারাবাহিক অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে দস্যু চক্রগুলোর কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন ও তাঁর সহযোগীরা কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।
মহাপরিচালক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যুদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মোংলার জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন হারবারিয়া স্থাপনের ফলে দস্যুদের রসদ, অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহের পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সুন্দরবনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জয়মনির ঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন হারবারিয়ায় একদল দুর্বৃত্তের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপকূলীয় এলাকার জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রভাবে না গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখতে হবে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের নিরাপত্তা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও স্থানীয় জনগণের নিরাপদ জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করতে অপরাধসংক্রান্ত তথ্য কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ জানাতে অনুরোধ করেন।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের জনগণের নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ এবং উপকূলীয় ও সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন