গাইবান্ধায় সরকারি ইনজেকশন সিরিঞ্জ বিক্রির অভিযোগ, অভিযুক্ত হাসপাতালের ইনচার্জ
নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | ১৮ জুন, ২০২৬
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি ইনজেকশন সিরিঞ্জ বহিরাগত এক ব্যক্তির মাধ্যমে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বিকেলে শহরের ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে থেকে সিরিঞ্জসহ এক নারীকে আটক করে স্থানীয়রা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে এক নারী সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন। ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কাছে থাকা ময়লার বস্তা থেকে তিন কার্টন ইনজেকশন সিরিঞ্জ উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ওই নারী দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগম তাকে এসব ইনজেকশন সিরিঞ্জ বিক্রির জন্য দিয়েছেন।
হাসপাতালের রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আসা সরকারি সামগ্রী এভাবে বাইরে বিক্রির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। সচেতন মহল বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগম বিষয়টি অস্বীকার না করে অদ্ভুত এক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বহিরাগত ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের কাজ করিয়ে নেওয়ার পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি তাকে ইনজেকশন সিরিঞ্জগুলো দিয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিব রহমান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে গাফিলতি বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে রোগীদের সেবার মানোন্নয়নের পরিবর্তে মালামাল পাচারের এমন ঘটনায় সাধারণ রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের অপেক্ষায় এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
গাইবান্ধায় সরকারি ইনজেকশন সিরিঞ্জ বিক্রির অভিযোগ, অভিযুক্ত হাসপাতালের ইনচার্জ
নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | ১৮ জুন, ২০২৬
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি ইনজেকশন সিরিঞ্জ বহিরাগত এক ব্যক্তির মাধ্যমে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বিকেলে শহরের ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে থেকে সিরিঞ্জসহ এক নারীকে আটক করে স্থানীয়রা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে এক নারী সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন। ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কাছে থাকা ময়লার বস্তা থেকে তিন কার্টন ইনজেকশন সিরিঞ্জ উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ওই নারী দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগম তাকে এসব ইনজেকশন সিরিঞ্জ বিক্রির জন্য দিয়েছেন।
হাসপাতালের রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আসা সরকারি সামগ্রী এভাবে বাইরে বিক্রির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। সচেতন মহল বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ ঝরনা বেগম বিষয়টি অস্বীকার না করে অদ্ভুত এক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বহিরাগত ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের কাজ করিয়ে নেওয়ার পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি তাকে ইনজেকশন সিরিঞ্জগুলো দিয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিব রহমান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে গাফিলতি বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে রোগীদের সেবার মানোন্নয়নের পরিবর্তে মালামাল পাচারের এমন ঘটনায় সাধারণ রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের অপেক্ষায় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন