শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, কয়েকজন দুর্বৃত্ত স্মৃতিস্তম্ভের বেদির নিচের অংশে পেট্রোল ও টায়ার ব্যবহার করে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন জ্বলে ওঠার পরপরই তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই স্মৃতিস্তম্ভের বেদির নিচের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্মৃতিস্তম্ভ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। দুর্বৃত্তরা হঠাৎ করে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং স্মৃতিস্তম্ভের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, কয়েকজন দুর্বৃত্ত স্মৃতিস্তম্ভের বেদির নিচের অংশে পেট্রোল ও টায়ার ব্যবহার করে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন জ্বলে ওঠার পরপরই তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই স্মৃতিস্তম্ভের বেদির নিচের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্মৃতিস্তম্ভ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। দুর্বৃত্তরা হঠাৎ করে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং স্মৃতিস্তম্ভের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন