গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরী ৩০ হাজার টাকার দাবীতে আন্দোলনের সময় পুলিশ সদস্য শাখাওয়াত হোসেন ইমতিয়াজের উপর হামলা চালায় আন্দোলনকারী শ্রমিকরা। এসময় তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী বাইমাইল সাইনবোর্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত পুলিশ সদস্য এসআই শাখাওয়াত হোসেন ইমতিয়াজ বর্তমানে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় কর্মরত রয়েছেন।
তাঁর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীর বাইমাইল সাইনবোর্ড এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধের মুখে পড়েন তিনি। এ সময় আন্দোলনকারী শ্রমিকরা তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মারধরের ঘটনায় এসআই ইমতিয়াজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত চিহৃ রয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরী ৩০ হাজার টাকার দাবীতে আন্দোলনের সময় পুলিশ সদস্য শাখাওয়াত হোসেন ইমতিয়াজের উপর হামলা চালায় আন্দোলনকারী শ্রমিকরা। এসময় তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী বাইমাইল সাইনবোর্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত পুলিশ সদস্য এসআই শাখাওয়াত হোসেন ইমতিয়াজ বর্তমানে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় কর্মরত রয়েছেন।
তাঁর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীর বাইমাইল সাইনবোর্ড এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধের মুখে পড়েন তিনি। এ সময় আন্দোলনকারী শ্রমিকরা তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মারধরের ঘটনায় এসআই ইমতিয়াজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত চিহৃ রয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন