স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের পর পুলিশ কিছু ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করে, যা নিয়ে স্থানীয় একটি হোটেলের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হয়।
হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, পুলিশ কিশোর গ্যাং আটকের কৃতিত্ব দেখাতে গিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানের সাধারণ হোটেল কর্মচারীদের ছবি ব্যবহার করেছে, যারা এই ধরনের কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই নজরুল জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনের কাজের অংশ হিসেবেই ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। ছবিতে থাকা ব্যক্তিদের বাড়ি বিভিন্ন উপজেলায় হওয়ায় তাদের সঠিক পরিচয় ও তথ্য নিশ্চিত করতেই ছবিগুলো তুলে রাখা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. মনজুরুল আলম-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, "এটি কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারি দমনে আমাদের ধারাবাহিক অভিযানেরই একটি অংশ। আমরা যাদের কিশোর গ্যাং সন্দেহে থানায় নিয়ে আসি, তাদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ ও সাবধান করে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় হস্তান্তর করি।"
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ধারাবাহিক অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। তবে সাধারণ নিরীহ কর্মজীবীরা যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন এবং গণমাধ্যমে বা প্রচারে সঠিক তথ্য প্রতিফলিত হয়—এমনটিই প্রত্যাশা স্থানীয় মহলের।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের পর পুলিশ কিছু ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করে, যা নিয়ে স্থানীয় একটি হোটেলের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হয়।
হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, পুলিশ কিশোর গ্যাং আটকের কৃতিত্ব দেখাতে গিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানের সাধারণ হোটেল কর্মচারীদের ছবি ব্যবহার করেছে, যারা এই ধরনের কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই নজরুল জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনের কাজের অংশ হিসেবেই ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। ছবিতে থাকা ব্যক্তিদের বাড়ি বিভিন্ন উপজেলায় হওয়ায় তাদের সঠিক পরিচয় ও তথ্য নিশ্চিত করতেই ছবিগুলো তুলে রাখা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. মনজুরুল আলম-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, "এটি কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারি দমনে আমাদের ধারাবাহিক অভিযানেরই একটি অংশ। আমরা যাদের কিশোর গ্যাং সন্দেহে থানায় নিয়ে আসি, তাদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ ও সাবধান করে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় হস্তান্তর করি।"
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ধারাবাহিক অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। তবে সাধারণ নিরীহ কর্মজীবীরা যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন এবং গণমাধ্যমে বা প্রচারে সঠিক তথ্য প্রতিফলিত হয়—এমনটিই প্রত্যাশা স্থানীয় মহলের।

আপনার মতামত লিখুন