সাদিয়া ইসলাম, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) :
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
রোববার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছরি থানার হরিচন্ডি গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান- দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া যে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন সেখানে আরবী পড়তে যেতেন ভুক্তভোগী কিশোরী। প্রতিদিন সকালে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ভুক্তভোগীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৮ নভেম্বর, ১ ও ২ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন মুছা মিয়া। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে সেই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা।
সেই মামলায় ২০২১ সালের ৫ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। পরে ১০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে এই রায় ঘোষনা করে আদালত। মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আদালত।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সাদিয়া ইসলাম, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) :
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
রোববার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছরি থানার হরিচন্ডি গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান- দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া যে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন সেখানে আরবী পড়তে যেতেন ভুক্তভোগী কিশোরী। প্রতিদিন সকালে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ভুক্তভোগীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৮ নভেম্বর, ১ ও ২ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন মুছা মিয়া। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে সেই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা।
সেই মামলায় ২০২১ সালের ৫ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। পরে ১০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে এই রায় ঘোষনা করে আদালত। মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আদালত।

আপনার মতামত লিখুন