মো.মনিরুল ইসলাম সিনিয়র রিপোর্টার :
কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে চলতি বছরের ৩ই অক্টোবর সকাল ১১ টায়। এ ঘটনায় ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে এআই দিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিকাশে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের রশিদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করেছে একটি চক্র । ওসির দাবি এটা এআই দিয়ে করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একটি গ্রুপ।। এতে করে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়' গত ৩ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ভৈরব পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মনির কন্ট্রাক্টরের বাড়ি ও দোকানের জমি জোর পূর্বক দখলের চেষ্টা করেন । মুর্শেদ মিয়ার নেতৃতে প্রায় ৩০-৪০ জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ গ্রুপ বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাট করে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে প্রায় লক্ষ্যাদিক টাকার মালামাল।
উক্ত ঘটনায়, ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ ও হাবিবুর রহমানের পক্ষ থেকে পুলিশকে ফোনে জানানো হলে । পুলিশকে খবর দেওয়ার পর, ঘটনাস্থলে প্রায় এক ঘণ্টা সময়ের পর পুলিশ উপস্থিত হয় । পরে পুলিশের পরিচিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং উত্তপ্ত পরিবেশ শান্ত করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বিকাশের রশিদে দেখা যায় বেশ কিছু গড়মিল রয়েছে এতে বুঝাযায়,, ভৈরব থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমানের মোবাইল নম্বরে পাঠানো বিকাশের ৩০ হাজার টাকা লেনদেনের বিকাশের রসিদটি সম্পূর্ণ ভুয়া।
বিকাশে ঘুষ গ্রহনের বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রাইম টেলিভিশনকে জানান'' আমি কোনো বিকাশের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহন করিনি। এটা এআই দিয়ে করেছে। আর এটা পাসওয়ার্ড আমি জানি না। এটা শুধু মাত্র পুলিশের বিরুদ্ধে একটা অপপ্রচার।
আর এসব অভিযোগের বিষয়ে ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ এর সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রাইম টেলিভিশনকে জানান'' হ্যাঁ আমি দেখেছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিকাশে লেনদেনের। তবে মনে হচ্ছে এটা এআই দিয়ে করেছে। আর
আজকে শুক্রবার হওয়ায় হয়তো আগামীকালকেই তদন্ত কমিটি করা হতে পারে এসপি স্যারের নেতৃত্বে। এটা কি বাস্তবে গ্রহণ করেছে না এআই দিয়ে করেছে। দোষী সাব্যস্ত হলে কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
মো.মনিরুল ইসলাম সিনিয়র রিপোর্টার :
কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে চলতি বছরের ৩ই অক্টোবর সকাল ১১ টায়। এ ঘটনায় ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে এআই দিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিকাশে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের রশিদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করেছে একটি চক্র । ওসির দাবি এটা এআই দিয়ে করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একটি গ্রুপ।। এতে করে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়' গত ৩ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ভৈরব পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মনির কন্ট্রাক্টরের বাড়ি ও দোকানের জমি জোর পূর্বক দখলের চেষ্টা করেন । মুর্শেদ মিয়ার নেতৃতে প্রায় ৩০-৪০ জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ গ্রুপ বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাট করে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে প্রায় লক্ষ্যাদিক টাকার মালামাল।
উক্ত ঘটনায়, ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ ও হাবিবুর রহমানের পক্ষ থেকে পুলিশকে ফোনে জানানো হলে । পুলিশকে খবর দেওয়ার পর, ঘটনাস্থলে প্রায় এক ঘণ্টা সময়ের পর পুলিশ উপস্থিত হয় । পরে পুলিশের পরিচিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং উত্তপ্ত পরিবেশ শান্ত করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বিকাশের রশিদে দেখা যায় বেশ কিছু গড়মিল রয়েছে এতে বুঝাযায়,, ভৈরব থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমানের মোবাইল নম্বরে পাঠানো বিকাশের ৩০ হাজার টাকা লেনদেনের বিকাশের রসিদটি সম্পূর্ণ ভুয়া।
বিকাশে ঘুষ গ্রহনের বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রাইম টেলিভিশনকে জানান'' আমি কোনো বিকাশের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহন করিনি। এটা এআই দিয়ে করেছে। আর এটা পাসওয়ার্ড আমি জানি না। এটা শুধু মাত্র পুলিশের বিরুদ্ধে একটা অপপ্রচার।
আর এসব অভিযোগের বিষয়ে ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ এর সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রাইম টেলিভিশনকে জানান'' হ্যাঁ আমি দেখেছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিকাশে লেনদেনের। তবে মনে হচ্ছে এটা এআই দিয়ে করেছে। আর
আজকে শুক্রবার হওয়ায় হয়তো আগামীকালকেই তদন্ত কমিটি করা হতে পারে এসপি স্যারের নেতৃত্বে। এটা কি বাস্তবে গ্রহণ করেছে না এআই দিয়ে করেছে। দোষী সাব্যস্ত হলে কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন