টঙ্গী থেকে মো ওমর সানি:
গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মারধর এবং ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুই শিক্ষক ও একজন কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন মধ্য আউচপাড়া এলাকার এসএস একাডেমি রোডে অবস্থিত ক্বরীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বারীজুল আলমগীর হোসেনের অভিযোগ, এক অভিভাবকের নেতৃত্বে ১৫ জনের একটি দল প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে। পরে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো এবং শিক্ষক মোসলিম উদ্দিনসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এ সময় নারী শিক্ষকদের শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগও করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া ও যৌন হয়রানির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট এক শিক্ষককে পুলিশ আটক করেছে বলে জানা গেছে।
তবে হামলা, ভাঙচুর ও অর্থ লুটের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, শিশু শিক্ষার্থীর অভিযোগ এবং মাদরাসায় হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ—দুই বিষয়েই নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
টঙ্গী থেকে মো ওমর সানি:
গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মারধর এবং ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুই শিক্ষক ও একজন কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন মধ্য আউচপাড়া এলাকার এসএস একাডেমি রোডে অবস্থিত ক্বরীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বারীজুল আলমগীর হোসেনের অভিযোগ, এক অভিভাবকের নেতৃত্বে ১৫ জনের একটি দল প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে। পরে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো এবং শিক্ষক মোসলিম উদ্দিনসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এ সময় নারী শিক্ষকদের শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগও করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া ও যৌন হয়রানির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট এক শিক্ষককে পুলিশ আটক করেছে বলে জানা গেছে।
তবে হামলা, ভাঙচুর ও অর্থ লুটের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, শিশু শিক্ষার্থীর অভিযোগ এবং মাদরাসায় হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ—দুই বিষয়েই নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আপনার মতামত লিখুন