সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় বৈকুণ্ঠপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ইট দিয়ে নির্মিত একটি শহীদ মিনার রাতের আঁধারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বদলগাছী থানা পুলিশ।
জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত ৯টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের সামনের শহীদ মিনারটি ভেঙে ফেলে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বাজারের মুদি দোকানি মো. সেকেন্দার আলী পানি নিতে বিদ্যালয়ের মাঠে গেলে শহীদ মিনারটি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে বদলগাছী থানা থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হোসেনসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শুক্লা রানী জানান, শহীদ মিনার ভাঙা অবস্থায় পাওয়ার খবর পেয়ে তিনি বিদ্যালয়ে আসেন। শহীদ মিনারটি আগে থেকেই নড়বড়ে অবস্থায় ছিল। রাতের আঁধারে কে বা কারা শহীদ মিনারটি ভেঙেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে যারা এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ করেছে, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা উচিত। এ ঘটনায় আজ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সত্যতা নিশ্চিত করে বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান বলেন, শহীদ মিনার ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় বৈকুণ্ঠপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ইট দিয়ে নির্মিত একটি শহীদ মিনার রাতের আঁধারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বদলগাছী থানা পুলিশ।
জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত ৯টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের সামনের শহীদ মিনারটি ভেঙে ফেলে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বাজারের মুদি দোকানি মো. সেকেন্দার আলী পানি নিতে বিদ্যালয়ের মাঠে গেলে শহীদ মিনারটি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে বদলগাছী থানা থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হোসেনসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শুক্লা রানী জানান, শহীদ মিনার ভাঙা অবস্থায় পাওয়ার খবর পেয়ে তিনি বিদ্যালয়ে আসেন। শহীদ মিনারটি আগে থেকেই নড়বড়ে অবস্থায় ছিল। রাতের আঁধারে কে বা কারা শহীদ মিনারটি ভেঙেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে যারা এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ করেছে, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা উচিত। এ ঘটনায় আজ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সত্যতা নিশ্চিত করে বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান বলেন, শহীদ মিনার ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন