বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী।
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী মেসার্স মায়ের আঁচল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদ। তাঁর দাবি, বেমরতা ইউনিয়নে সার ডিলারশিপ পাওয়ার জন্য আবেদন করলেও তাঁর প্রতিষ্ঠানের গুদাম পরিদর্শন ও প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। অন্যদিকে, অপর একটি প্রতিষ্ঠানের গুদামসংক্রান্ত কাগজপত্রের সঙ্গে বাস্তব অবস্থার অসংগতি থাকার পরও সেটিকে তালিকার প্রথম স্থানে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রে আবুল কালাম আজাদ উল্লেখ করেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার বর্গফুটের বেশি আয়তনের গুদাম রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁর অনুপস্থিতিতে গুদাম পরিদর্শন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া মেসার্স সুপার বেঙ্গল য়ার প্রোঃ মেহেদি হাসান শাহিন নামের অপর একটি প্রতিষ্ঠানের গুদাম স্থাপনার কাগজপত্র ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে অসংগতি থাকার অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে এসব বিষয় যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে যোগ্যতা ও বাস্তব অবকাঠামোর ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি অভিযোগপত্রে আরও বলেন, ডিলার নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কারণ, সার বিতরণব্যবস্থার সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন কার্যক্রম সরাসরি সম্পৃক্ত। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম হলে প্রকৃত যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের কাছে সার সরবরাহের ব্যবস্থাপনাও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
এ অবস্থায় বেমরতা ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের তালিকা, গুদাম পরিদর্শনের প্রতিবেদন, আবেদনকারীদের দাখিল করা কাগজপত্র এবং যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া পুনরায় পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাট সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তন্ময় দত্ত বলেন, সার ও বিজ মনিটরিং কমিটির সদস্যদের সমন্বয়ে আমরা একসাথে কাজ করেছি। আমরা নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি আবেদনকারীর গুদাম ও অন্যন্য কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই বাচাই করে তারপর তালিকা প্রনয়ন করে জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিয়েছি। এ বিষয়ে নিয়মের কোন ব্যত্যয় ঘঠেনি বলেও জানান তিনি।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী।
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী মেসার্স মায়ের আঁচল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদ। তাঁর দাবি, বেমরতা ইউনিয়নে সার ডিলারশিপ পাওয়ার জন্য আবেদন করলেও তাঁর প্রতিষ্ঠানের গুদাম পরিদর্শন ও প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। অন্যদিকে, অপর একটি প্রতিষ্ঠানের গুদামসংক্রান্ত কাগজপত্রের সঙ্গে বাস্তব অবস্থার অসংগতি থাকার পরও সেটিকে তালিকার প্রথম স্থানে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রে আবুল কালাম আজাদ উল্লেখ করেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার বর্গফুটের বেশি আয়তনের গুদাম রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁর অনুপস্থিতিতে গুদাম পরিদর্শন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া মেসার্স সুপার বেঙ্গল য়ার প্রোঃ মেহেদি হাসান শাহিন নামের অপর একটি প্রতিষ্ঠানের গুদাম স্থাপনার কাগজপত্র ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে অসংগতি থাকার অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে এসব বিষয় যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে যোগ্যতা ও বাস্তব অবকাঠামোর ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি অভিযোগপত্রে আরও বলেন, ডিলার নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কারণ, সার বিতরণব্যবস্থার সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন কার্যক্রম সরাসরি সম্পৃক্ত। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম হলে প্রকৃত যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের কাছে সার সরবরাহের ব্যবস্থাপনাও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
এ অবস্থায় বেমরতা ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের তালিকা, গুদাম পরিদর্শনের প্রতিবেদন, আবেদনকারীদের দাখিল করা কাগজপত্র এবং যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া পুনরায় পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাট সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তন্ময় দত্ত বলেন, সার ও বিজ মনিটরিং কমিটির সদস্যদের সমন্বয়ে আমরা একসাথে কাজ করেছি। আমরা নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি আবেদনকারীর গুদাম ও অন্যন্য কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই বাচাই করে তারপর তালিকা প্রনয়ন করে জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিয়েছি। এ বিষয়ে নিয়মের কোন ব্যত্যয় ঘঠেনি বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন