সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ-শাহাগোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী তহশিলদার মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া এক সাংবাদিককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা এবং নিয়মিত মাসিক অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক নওগাঁ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে সাংবাদিক মোঃ সবুজ হোসেন উল্লেখ করেন, আহসানগঞ্জ-শাহাগোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী তহশিলদার মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি, দালালদের দৌরাত্ম্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, অনুসন্ধানের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পক্ষে পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তি সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি অভিযোগ-সংক্রান্ত বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ না করার জন্য প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন এবং আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এমনকি প্রতি মাসে নিয়মিত অর্থ দেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই সাংবাদিক।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, এ ধরনের প্রস্তাব শুধু সাংবাদিকতাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা নয়, বরং স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার কাজে হস্তক্ষেপের শামিল। বিষয়টির পক্ষে প্রমাণ হিসেবে ফোনকল, মেসেজসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষিত রয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জেলা প্রশাসকের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত দাবি করেছেন। একই সঙ্গে সহকারী তহশিলদারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সাংবাদিককে আর্থিক সুবিধার প্রস্তাব দিয়ে প্রভাবিত করার অভিযোগেরও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগকারী সাংবাদিক বলেন, “সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়া কিংবা প্রভাবিত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। জনস্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী তহশিলদার মোস্তাফিজুর রহমানের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
উল্লেখ্য, অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলো বর্তমানে অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে; তদন্তে সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধানের ওপর।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ-শাহাগোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী তহশিলদার মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া এক সাংবাদিককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা এবং নিয়মিত মাসিক অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক নওগাঁ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে সাংবাদিক মোঃ সবুজ হোসেন উল্লেখ করেন, আহসানগঞ্জ-শাহাগোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী তহশিলদার মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি, দালালদের দৌরাত্ম্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, অনুসন্ধানের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পক্ষে পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তি সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি অভিযোগ-সংক্রান্ত বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ না করার জন্য প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন এবং আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এমনকি প্রতি মাসে নিয়মিত অর্থ দেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই সাংবাদিক।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, এ ধরনের প্রস্তাব শুধু সাংবাদিকতাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা নয়, বরং স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার কাজে হস্তক্ষেপের শামিল। বিষয়টির পক্ষে প্রমাণ হিসেবে ফোনকল, মেসেজসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষিত রয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জেলা প্রশাসকের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত দাবি করেছেন। একই সঙ্গে সহকারী তহশিলদারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সাংবাদিককে আর্থিক সুবিধার প্রস্তাব দিয়ে প্রভাবিত করার অভিযোগেরও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগকারী সাংবাদিক বলেন, “সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়া কিংবা প্রভাবিত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। জনস্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী তহশিলদার মোস্তাফিজুর রহমানের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
উল্লেখ্য, অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলো বর্তমানে অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে; তদন্তে সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধানের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন