মাহমুদুল হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ৬নং মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে রাজনৈতিক মাঠ। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন মৌডুবী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান।
স্থানীয়রা বলছেন, দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে থাকায় তাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় মৌডুবীবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের এই নেতা বিভিন্ন সময়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় তার ভূমিকা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসনের সময়ে যখন সারাদেশের মতো মৌডুবীর মানুষও মামলা-হামলায় জর্জরিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত ছিল, তখন বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এই নেতা। ঘর ছাড়া, বাড়ি ছাড়া থেকেও তিনি বিএনপির পতাকা সমুন্নত রেখেছেন। পুলিশি হয়রানি, রাতের আঁধারে বাড়িতে তল্লাশি ও মিথ্যা মামলা কোনো কিছুই তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি।
তার সৎ, নির্ভীক ও আপোষহীন নেতৃত্বেই আজ মৌডুবী ইউনিয়ন বিএনপি একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ইউনিটে পরিণত হয়েছে বলে মনে করেন নেতাকর্মীরা। মৌডুবীর অধিকাংশ মানুষের বিশ্বাস, কামরুল হাসানের মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাই পারেন একটি সুখী ও সমৃদ্ধ মডেল মৌডুবী গড়ে তুলতে।
এ বিষয়ে মৌডুবী ইউনিয়নের বাসিন্দা বিল্লাল পঞ্চায়েত বলেন, "কামরুল হাসান ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলের জন্য অনেক কাজ করেছেন। তিনি সবসময় আমাদের খোঁজ-খবর রাখেন। বিপদে-আপদে তাকে কাছে পাই। আমাদের উন্নয়নের জন্য কামরুল হাসানের মতো একজন তরুণ ও শিক্ষিত চেয়ারম্যান দরকার।"
একই ইউনিয়নের আরেক বাসিন্দা রিয়াজ পঞ্চায়েত বলেন, "আমরা কামরুল ভাইকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। তিনি বিএনপির নেতা হলেও দলমত নির্বিশেষে সবার সাথে মেশেন। তিনি নির্বাচিত হলে মৌডুবী একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত হবে।"
এ বিষয়ে কামরুল হাসান বলেন, "আমি মৌডুবী ইউনিয়নের সন্তান। এই মাটির মানুষই আমার শক্তি। দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে ছিলাম, জেল-জুলুম সহ্য করেছি কিন্তু দলের আদর্শ থেকে সরে যাইনি। আমি চেয়ারম্যান হতে চাই না, আমি মৌডুবীর মানুষের সেবক হতে চাই। আপনারা সুযোগ দিলে একটি মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল মৌডুবী উপহার দেব। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা সহ সরকারি কোনো সেবা পেতে আর কারো দুয়ারে ঘুরতে হবে না।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
মাহমুদুল হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ৬নং মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে রাজনৈতিক মাঠ। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন মৌডুবী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান।
স্থানীয়রা বলছেন, দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে থাকায় তাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় মৌডুবীবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের এই নেতা বিভিন্ন সময়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় তার ভূমিকা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসনের সময়ে যখন সারাদেশের মতো মৌডুবীর মানুষও মামলা-হামলায় জর্জরিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত ছিল, তখন বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এই নেতা। ঘর ছাড়া, বাড়ি ছাড়া থেকেও তিনি বিএনপির পতাকা সমুন্নত রেখেছেন। পুলিশি হয়রানি, রাতের আঁধারে বাড়িতে তল্লাশি ও মিথ্যা মামলা কোনো কিছুই তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি।
তার সৎ, নির্ভীক ও আপোষহীন নেতৃত্বেই আজ মৌডুবী ইউনিয়ন বিএনপি একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ইউনিটে পরিণত হয়েছে বলে মনে করেন নেতাকর্মীরা। মৌডুবীর অধিকাংশ মানুষের বিশ্বাস, কামরুল হাসানের মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাই পারেন একটি সুখী ও সমৃদ্ধ মডেল মৌডুবী গড়ে তুলতে।
এ বিষয়ে মৌডুবী ইউনিয়নের বাসিন্দা বিল্লাল পঞ্চায়েত বলেন, "কামরুল হাসান ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলের জন্য অনেক কাজ করেছেন। তিনি সবসময় আমাদের খোঁজ-খবর রাখেন। বিপদে-আপদে তাকে কাছে পাই। আমাদের উন্নয়নের জন্য কামরুল হাসানের মতো একজন তরুণ ও শিক্ষিত চেয়ারম্যান দরকার।"
একই ইউনিয়নের আরেক বাসিন্দা রিয়াজ পঞ্চায়েত বলেন, "আমরা কামরুল ভাইকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। তিনি বিএনপির নেতা হলেও দলমত নির্বিশেষে সবার সাথে মেশেন। তিনি নির্বাচিত হলে মৌডুবী একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত হবে।"
এ বিষয়ে কামরুল হাসান বলেন, "আমি মৌডুবী ইউনিয়নের সন্তান। এই মাটির মানুষই আমার শক্তি। দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে ছিলাম, জেল-জুলুম সহ্য করেছি কিন্তু দলের আদর্শ থেকে সরে যাইনি। আমি চেয়ারম্যান হতে চাই না, আমি মৌডুবীর মানুষের সেবক হতে চাই। আপনারা সুযোগ দিলে একটি মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল মৌডুবী উপহার দেব। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা সহ সরকারি কোনো সেবা পেতে আর কারো দুয়ারে ঘুরতে হবে না।

আপনার মতামত লিখুন