বেলাল খান, মাদারীপুর প্রতিনিধি
অল্প পুজিতে অধিক লাভ হওয়ায় মাদারীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় চলতি মৌসুমে ব্যাপকভাবে ধৈণ্চা আবাদ হয়েছে।
এতদিন চরাঞ্চলের যেসব মাটি পতিত অবস্থায় ছিল। এখন সেসব বিরান ভূমিতে ধৈনচা গাছ গায়ে গায় দোল খায়।
মাএ এক হাজার টাকা খরচ করে এক বিঘা(৩৩ শতাংশ ) জমিতে ধৈনচা আবাদ করে ২০ হাজার টাকা লাভ হওয়ায় এখানকার চাষিদের মধ্যে ধৈন্চা চাষের হিড়িক পড়েছে।
ধৈন্চা গাছ দেখতে হুবহু পাট গাছের মত। তবে পাটের চেয়ে দ্বিগুন লম্বা ও মোটো হয়। এগুলো জ্বালানি হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়। অনেকে ধৈন্চা দিয়ে লাউ, ধুন্দুল, কুমড়া ,পূই শাকসহ বিভিন্ন তরকারি গাছের জানালা দেয়।ধৈনচার ডালে ভর দিয়েই আকাশে উঁকি দেয় কচি লাউয়ের ডগা।
জ্বালানি হিসেবে ধৈন্চার কোন বিকল্প নাই। বড় দুই খান ধৈন্চা দিয়ে এক বেলার
ভাত মাছ রান্না করা সম্ভব। এক মুঠো ধৈন্চা পেলে বউর মুখে ফুটে উঠে হাসির রেখা।
মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে শুকনা আটি বাধা এক মন ধৈনচা তিনশত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমে অনেক বেপারী মাদারীপুর শহরের বিভিন্ন সড়কে ভ্যানে করে ধৈনচা বিক্রি করে থাকে।
বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি অনাবাদি মাঠ বা পরিত্যক্ত জমিতে ধৈনচা চাষের উপযুক্ত সময়। প্রতি শতাংশ জমিতে এক কেজি করে বীজ বুনতে হয় । কোন রকম সার বা নিড়ানি ছাড়াই ধৈনচা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৯/১০ হাত লম্বা হয়।
মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের লক্ষিগন্জ গ্রামের কমপক্ষে ৩০ জন চাষি চলতি মৌসুমে ধৈনচা আবাদ করেছে। এই গ্রামের
ধৈনচা চাষি মিহির হাসান( ৩৫) জানান,১২ শতাংশ জমিতে প্রতি বছর ধৈনচা আবাদ করে তার ৫/৬ হাজার টাকা লাভ হয়।
এদিকে যেসব জমিতে মাটির উর্বর শক্তি নেই ওইসব জমিতে ধৈনচা আবাদ করলে জমির উর্বর ক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মাদারীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূএ জানায়,
চলতি মৌসুমে মাদারীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় সাড়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে ধৈনচা আবাদ হয়েছে।ধৈনচা আবাদে বেশি লাভ হওয়ায় এই অঞ্চলে দ্রুত ধৈনচা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে রাস্তি ইউনিয়নের ব্লোক সুপার ভাইজার রাজিব দাস জানান।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেলাল খান, মাদারীপুর প্রতিনিধি
অল্প পুজিতে অধিক লাভ হওয়ায় মাদারীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় চলতি মৌসুমে ব্যাপকভাবে ধৈণ্চা আবাদ হয়েছে।
এতদিন চরাঞ্চলের যেসব মাটি পতিত অবস্থায় ছিল। এখন সেসব বিরান ভূমিতে ধৈনচা গাছ গায়ে গায় দোল খায়।
মাএ এক হাজার টাকা খরচ করে এক বিঘা(৩৩ শতাংশ ) জমিতে ধৈনচা আবাদ করে ২০ হাজার টাকা লাভ হওয়ায় এখানকার চাষিদের মধ্যে ধৈন্চা চাষের হিড়িক পড়েছে।
ধৈন্চা গাছ দেখতে হুবহু পাট গাছের মত। তবে পাটের চেয়ে দ্বিগুন লম্বা ও মোটো হয়। এগুলো জ্বালানি হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়। অনেকে ধৈন্চা দিয়ে লাউ, ধুন্দুল, কুমড়া ,পূই শাকসহ বিভিন্ন তরকারি গাছের জানালা দেয়।ধৈনচার ডালে ভর দিয়েই আকাশে উঁকি দেয় কচি লাউয়ের ডগা।
জ্বালানি হিসেবে ধৈন্চার কোন বিকল্প নাই। বড় দুই খান ধৈন্চা দিয়ে এক বেলার
ভাত মাছ রান্না করা সম্ভব। এক মুঠো ধৈন্চা পেলে বউর মুখে ফুটে উঠে হাসির রেখা।
মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে শুকনা আটি বাধা এক মন ধৈনচা তিনশত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমে অনেক বেপারী মাদারীপুর শহরের বিভিন্ন সড়কে ভ্যানে করে ধৈনচা বিক্রি করে থাকে।
বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি অনাবাদি মাঠ বা পরিত্যক্ত জমিতে ধৈনচা চাষের উপযুক্ত সময়। প্রতি শতাংশ জমিতে এক কেজি করে বীজ বুনতে হয় । কোন রকম সার বা নিড়ানি ছাড়াই ধৈনচা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৯/১০ হাত লম্বা হয়।
মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের লক্ষিগন্জ গ্রামের কমপক্ষে ৩০ জন চাষি চলতি মৌসুমে ধৈনচা আবাদ করেছে। এই গ্রামের
ধৈনচা চাষি মিহির হাসান( ৩৫) জানান,১২ শতাংশ জমিতে প্রতি বছর ধৈনচা আবাদ করে তার ৫/৬ হাজার টাকা লাভ হয়।
এদিকে যেসব জমিতে মাটির উর্বর শক্তি নেই ওইসব জমিতে ধৈনচা আবাদ করলে জমির উর্বর ক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মাদারীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূএ জানায়,
চলতি মৌসুমে মাদারীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় সাড়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে ধৈনচা আবাদ হয়েছে।ধৈনচা আবাদে বেশি লাভ হওয়ায় এই অঞ্চলে দ্রুত ধৈনচা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে রাস্তি ইউনিয়নের ব্লোক সুপার ভাইজার রাজিব দাস জানান।

আপনার মতামত লিখুন