শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক।
গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া ইউনিয়নেরর কামারগাঁও এলাকায় ৩০ বছরের পুরনো রাস্তা বন্ধের অভিযোগ উঠেছে আলমগীর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।ফলে হাজার হাজার মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় উক্ত রাস্তার মাঝবরাবর গাছের চারা রোপণ করে রাস্তার জমি দখল করে রেখেছে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন ও তার অন্যান্য সহযোগীরা।রাস্তা দখলমুক্ত করতে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ইকবাল হোসেন।অভিযোগে উল্লেখ করা হয় তারার বাড়ী থেকে ফকির বাড়ী পর্যন্ত মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা দখল করে গাছের চারা রোপণ করে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন ও তার সহযোগীরা।ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী,স্থানীয় কৃষক,ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনসাধারণ।এছাড়াও এই এলাকায় ১০ হাজার লেয়ার মুরগীর খামার থাকায় উৎপাদিত ডিম বাজারজাত করা এবং মুরগীর খাবারের গাড়ী না আসতে পারায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারী ইকবাল হোসেন।তিনি জানানা দীর্ঘদিনের মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় এই খামার পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।রাস্তা বন্ধ হওয়ায় চলমান সমস্যায় আমি এই ব্যবসায় লাখ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।তিনি বলেন ৩০ বছরের এই চলমান রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় এই এলাকার সর্মস্তরের মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি। এসময় তিনি সঠিক তদন্ত করে বন্ধ করে দেওয়া রাস্তাটি দখলমুক্ত করে ওই এলাকার সর্বস্তরের মানুষের চলাচলের পথ পুনরায় খুলে দেওয়ার দাবী জানান তিনি।এই বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন জানান উক্ত রাস্তার জমি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি।এটা সরকারী কোনো রাস্তা নয়।আমাদের সম্পত্তিতে আমরা গাছ লাগাইছি।এই বিষয়ে আমরাও আদালতে মামলা করেছি। মামলার রায় যেটা হবে সেটা আমরা মেনে নেবো।
এই বিষয়ে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজুল হক বলেন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে ইকবাল হোসেন নামে একজন অভিযোগ দিয়েছেন। রাস্তা যাতে বহাল থাকে এই বিষয়ে এসিল্যান্ড সাহেব ব্যবস্থা নিবেন।তিনি বলেন সরকারী হোক আর স্থানীয় হোক; রাস্তা বন্ধ করার কারও সুযোগ নাই।দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শফিকুল ইসলাম শামীম,নিজস্ব প্রতিবেদক।
গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া ইউনিয়নেরর কামারগাঁও এলাকায় ৩০ বছরের পুরনো রাস্তা বন্ধের অভিযোগ উঠেছে আলমগীর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।ফলে হাজার হাজার মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় উক্ত রাস্তার মাঝবরাবর গাছের চারা রোপণ করে রাস্তার জমি দখল করে রেখেছে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন ও তার অন্যান্য সহযোগীরা।রাস্তা দখলমুক্ত করতে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ইকবাল হোসেন।অভিযোগে উল্লেখ করা হয় তারার বাড়ী থেকে ফকির বাড়ী পর্যন্ত মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা দখল করে গাছের চারা রোপণ করে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন ও তার সহযোগীরা।ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী,স্থানীয় কৃষক,ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনসাধারণ।এছাড়াও এই এলাকায় ১০ হাজার লেয়ার মুরগীর খামার থাকায় উৎপাদিত ডিম বাজারজাত করা এবং মুরগীর খাবারের গাড়ী না আসতে পারায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারী ইকবাল হোসেন।তিনি জানানা দীর্ঘদিনের মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় এই খামার পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।রাস্তা বন্ধ হওয়ায় চলমান সমস্যায় আমি এই ব্যবসায় লাখ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।তিনি বলেন ৩০ বছরের এই চলমান রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় এই এলাকার সর্মস্তরের মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি। এসময় তিনি সঠিক তদন্ত করে বন্ধ করে দেওয়া রাস্তাটি দখলমুক্ত করে ওই এলাকার সর্বস্তরের মানুষের চলাচলের পথ পুনরায় খুলে দেওয়ার দাবী জানান তিনি।এই বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন জানান উক্ত রাস্তার জমি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি।এটা সরকারী কোনো রাস্তা নয়।আমাদের সম্পত্তিতে আমরা গাছ লাগাইছি।এই বিষয়ে আমরাও আদালতে মামলা করেছি। মামলার রায় যেটা হবে সেটা আমরা মেনে নেবো।
এই বিষয়ে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজুল হক বলেন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে ইকবাল হোসেন নামে একজন অভিযোগ দিয়েছেন। রাস্তা যাতে বহাল থাকে এই বিষয়ে এসিল্যান্ড সাহেব ব্যবস্থা নিবেন।তিনি বলেন সরকারী হোক আর স্থানীয় হোক; রাস্তা বন্ধ করার কারও সুযোগ নাই।দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন