চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাকানিয়া এলাকায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক ভিডিও ছড়িয়ে মানহানির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিভ্রান্তিমূলক ভিডিও প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার কেরানীহাটের একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন— ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মুছা, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, ওই বিরোধপূর্ণ জায়গার ওয়ারিশ জহির আহমদ, তার ছেলে জিয়াবুল হোসেন ও মামাতো ভাই আবদুল আলম।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ ওমর ফারুক অভিযোগ করে বলেন, জহির আহমদ নামে এক বৃদ্ধের সঙ্গে স্থানীয় কালু ও নজরুল নামে দুই ব্যক্তির দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে ২০০৬ সালে সাতকানিয়া আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়, যা এখনো চলমান রয়েছে। বিরোধপূর্ণ জায়গাটি দখল ঠেকাতে প্রায় ৫ মাস আগে জহির আহমদ স্টাম্পের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে বায়না করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রতিপক্ষের লোকজন ওই জায়গাটি দখলের চেষ্টা করলে আমরা সেখানে গিয়ে তাদেরকে বাধা দিয়েছিলাম।
তারা আরও বলেন, ওই সময় প্রতিপক্ষের লোকজনের ধারণ করা একটি ভিডিও পরবর্তীতে জাতীয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন বাংলা টিভির নাম ব্যবহার করে খোলা একটি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়। ভিডিওটির সঙ্গে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য যুক্ত করে প্রচার করা হয়েছে। এমনকি তারা একটি ফটোকার্ডও প্রচার করেছে। এতে আমাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই আমরা প্রচারিত ভিডিও, ফটোকার্ড এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্টটির বিষয়ে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।
ওই বিরোধপূর্ণ জায়গার ওয়ারিশ জহির আহমদ অভিযোগ করে বলেন, কালু ও নজরুল এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই জায়গাটি দখল করার চেষ্টা করেছে। এমনকি তারা আমাকেও মারধর করেছে। পরে আমি নিরুপায় হয়ে মুছা ও ফারুকের নিকট জায়গাটি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাকানিয়া এলাকায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক ভিডিও ছড়িয়ে মানহানির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিভ্রান্তিমূলক ভিডিও প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার কেরানীহাটের একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন— ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মুছা, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, ওই বিরোধপূর্ণ জায়গার ওয়ারিশ জহির আহমদ, তার ছেলে জিয়াবুল হোসেন ও মামাতো ভাই আবদুল আলম।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ ওমর ফারুক অভিযোগ করে বলেন, জহির আহমদ নামে এক বৃদ্ধের সঙ্গে স্থানীয় কালু ও নজরুল নামে দুই ব্যক্তির দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে ২০০৬ সালে সাতকানিয়া আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়, যা এখনো চলমান রয়েছে। বিরোধপূর্ণ জায়গাটি দখল ঠেকাতে প্রায় ৫ মাস আগে জহির আহমদ স্টাম্পের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে বায়না করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রতিপক্ষের লোকজন ওই জায়গাটি দখলের চেষ্টা করলে আমরা সেখানে গিয়ে তাদেরকে বাধা দিয়েছিলাম।
তারা আরও বলেন, ওই সময় প্রতিপক্ষের লোকজনের ধারণ করা একটি ভিডিও পরবর্তীতে জাতীয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন বাংলা টিভির নাম ব্যবহার করে খোলা একটি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়। ভিডিওটির সঙ্গে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য যুক্ত করে প্রচার করা হয়েছে। এমনকি তারা একটি ফটোকার্ডও প্রচার করেছে। এতে আমাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই আমরা প্রচারিত ভিডিও, ফটোকার্ড এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্টটির বিষয়ে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।
ওই বিরোধপূর্ণ জায়গার ওয়ারিশ জহির আহমদ অভিযোগ করে বলেন, কালু ও নজরুল এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই জায়গাটি দখল করার চেষ্টা করেছে। এমনকি তারা আমাকেও মারধর করেছে। পরে আমি নিরুপায় হয়ে মুছা ও ফারুকের নিকট জায়গাটি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন