মাহমুদুল হাসান: রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী
মাছটি ‘স্লেন্ডার সানফিশ’ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্য বন্দরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে অদ্ভুত আকৃতির একটি সামুদ্রিক মাছ। উড়োজাহাজের মতো দেখতে মাছটি রোববার (৩০ আগস্ট) মহিপুরের মেসার্স শাহিন এন্টারপ্রাইজ মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন জেলেরা। মাছটি দেখতে সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় লোকজন ও দর্শনার্থীরা। তবে এ ধরনের মাছ ধরা পড়লে বাজারজাত না করে সংরক্ষণের কথা বললেন বিশেষজ্ঞরা।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যাকুয়াকালচার ও মেরিন সায়েন্স অনুষদের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী মাছটির বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে প্রাথমিকভাবে এটিকে স্লেন্ডার সানফিশ (Ranzania laevis) বলে ধারণা করছেন।
মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এটি আমাদের সাধারণ বাণিজ্যিক সামুদ্রিক মাছগুলোর মতো নয়। মূলত খোলা সমুদ্রের একটি মহাসাগরীয় (oceanic) প্রজাতি। অনেক সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে মাছ ধরার জালে বাইক্যাচ হিসেবেও এ ধরনের মাছ উঠে আসে। বঙ্গোপসাগরেও এ প্রজাতির উপস্থিতির তথ্য রয়েছে।’
তিনি বলেন, তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায় এমন সামুদ্রিক প্রাণীর উপস্থিতি বঙ্গোপসাগরের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এ ধরনের মাছ পাওয়া গেলে শুধু বাজারজাত না করে মাছটি কোথায় ও কত গভীরতায় ধরা পড়েছে, কী ধরনের জালে ধরা পড়েছে, এর দৈর্ঘ্য ও ওজনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা উচিত।
মীর মোহাম্মদ আলীর মতে, এসব তথ্য বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য, প্রজাতির বিস্তৃতি এবং সামুদ্রিক পরিবেশে ঘটে চলা পরিবর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণা দিতে পারে।
মহিপুর মৎস্য বন্দরে মাছটি দেখতে আসা দর্শনার্থীরা এর অস্বাভাবিক আকৃতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। উড়োজাহাজের মতো দেখতে হওয়ায় মাছটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
মাহমুদুল হাসান: রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী
মাছটি ‘স্লেন্ডার সানফিশ’ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্য বন্দরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে অদ্ভুত আকৃতির একটি সামুদ্রিক মাছ। উড়োজাহাজের মতো দেখতে মাছটি রোববার (৩০ আগস্ট) মহিপুরের মেসার্স শাহিন এন্টারপ্রাইজ মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন জেলেরা। মাছটি দেখতে সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় লোকজন ও দর্শনার্থীরা। তবে এ ধরনের মাছ ধরা পড়লে বাজারজাত না করে সংরক্ষণের কথা বললেন বিশেষজ্ঞরা।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যাকুয়াকালচার ও মেরিন সায়েন্স অনুষদের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী মাছটির বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে প্রাথমিকভাবে এটিকে স্লেন্ডার সানফিশ (Ranzania laevis) বলে ধারণা করছেন।
মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এটি আমাদের সাধারণ বাণিজ্যিক সামুদ্রিক মাছগুলোর মতো নয়। মূলত খোলা সমুদ্রের একটি মহাসাগরীয় (oceanic) প্রজাতি। অনেক সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে মাছ ধরার জালে বাইক্যাচ হিসেবেও এ ধরনের মাছ উঠে আসে। বঙ্গোপসাগরেও এ প্রজাতির উপস্থিতির তথ্য রয়েছে।’
তিনি বলেন, তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায় এমন সামুদ্রিক প্রাণীর উপস্থিতি বঙ্গোপসাগরের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এ ধরনের মাছ পাওয়া গেলে শুধু বাজারজাত না করে মাছটি কোথায় ও কত গভীরতায় ধরা পড়েছে, কী ধরনের জালে ধরা পড়েছে, এর দৈর্ঘ্য ও ওজনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা উচিত।
মীর মোহাম্মদ আলীর মতে, এসব তথ্য বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য, প্রজাতির বিস্তৃতি এবং সামুদ্রিক পরিবেশে ঘটে চলা পরিবর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণা দিতে পারে।
মহিপুর মৎস্য বন্দরে মাছটি দেখতে আসা দর্শনার্থীরা এর অস্বাভাবিক আকৃতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। উড়োজাহাজের মতো দেখতে হওয়ায় মাছটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়।

আপনার মতামত লিখুন