মামুন চৌধুরী, মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় একটি ফসলের জমি থেকে অজ্ঞাতনামা (৬০) এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পেটে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি রক্তমাখা স্টিলের চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের চর ধানকোড়া এলাকার কুদ্দুস মিয়ার ফসলের জমিতে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রক্তাক্ত মরদেহটি দেখতে পান। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিপুলসংখ্যক উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
সংবাদ পেয়ে সাটুরিয়া থানা-পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের পেটে ধারালো অস্ত্রের একাধিক গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহের ধরন দেখে প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে কী উদ্দেশ্যে বা কারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং আলামত সংগ্রহের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। আঙুলের ছাপসহ প্রযুক্তিগত সহায়তায় পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। নিহতের পরিচয় শনাক্তে পিবিআই কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে নেমেছে।’

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
মামুন চৌধুরী, মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় একটি ফসলের জমি থেকে অজ্ঞাতনামা (৬০) এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পেটে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি রক্তমাখা স্টিলের চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের চর ধানকোড়া এলাকার কুদ্দুস মিয়ার ফসলের জমিতে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রক্তাক্ত মরদেহটি দেখতে পান। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিপুলসংখ্যক উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
সংবাদ পেয়ে সাটুরিয়া থানা-পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের পেটে ধারালো অস্ত্রের একাধিক গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহের ধরন দেখে প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে কী উদ্দেশ্যে বা কারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং আলামত সংগ্রহের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। আঙুলের ছাপসহ প্রযুক্তিগত সহায়তায় পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। নিহতের পরিচয় শনাক্তে পিবিআই কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে নেমেছে।’

আপনার মতামত লিখুন