নাজমুল হক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
নওগাঁর পোরশায় প্রকাশ্যে মাদক সেবনের সময় তিন যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের গোপালগঞ্জ গ্রামে স্থানীয়রা মাদক সেবনরত অবস্থায় ওই তিন যুবককে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—গোপালগঞ্জ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে আল আমিন (২২), শোভাপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আতিকুর রহমান (২৭) এবং যমুনার বাগান গ্রামের মো. সাগরের ছেলে নয়ন (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক সেবন করছিলেন ওই তিন যুবক। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।
খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালতের কাছে অপরাধ স্বীকার করায় সংশ্লিষ্ট আইনে তিনটি পৃথক মামলায় (মামলা নং ১৮, ১৯ ও ২০) তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নাজমুল হক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
নওগাঁর পোরশায় প্রকাশ্যে মাদক সেবনের সময় তিন যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের গোপালগঞ্জ গ্রামে স্থানীয়রা মাদক সেবনরত অবস্থায় ওই তিন যুবককে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—গোপালগঞ্জ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে আল আমিন (২২), শোভাপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আতিকুর রহমান (২৭) এবং যমুনার বাগান গ্রামের মো. সাগরের ছেলে নয়ন (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক সেবন করছিলেন ওই তিন যুবক। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।
খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালতের কাছে অপরাধ স্বীকার করায় সংশ্লিষ্ট আইনে তিনটি পৃথক মামলায় (মামলা নং ১৮, ১৯ ও ২০) তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন