ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সৃষ্টি হওয়া দীর্ঘ ও তীব্র যানজটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শতশত বিদেশগামী প্রবাসী যাত্রী। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই স্থানে যানবাহন স্থবির হয়ে থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে বিমানবন্দরে পৌঁছানো নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে না পেরে অনেকের ফ্লাইট মিস করার মতো আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যার ফলে হুমকির মুখে পড়েছে তাদের কষ্টার্জিত কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ, হঠাৎ গাড়ি বিকল হওয়া এবং নিয়ম না মেনে গাড়ি চালানো অপরিকল্পিত রাস্তার কাজের কারণে এই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোর থেকেই ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী লেনে হাজার হাজার যানবাহন আটকে থাকে।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রবাসী কর্মীরা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কিংবা শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগামী অনেক প্রবাসী পরিবার ও ব্যাগ-প্যাকেজ নিয়ে মহাসড়কেই আটকে থাকতে হয়েছে ।
কুমিল্লা ও নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সৌদি প্রবাসী কয়েকজন যাত্রী আক্ষেপ করে বলেন, "আজকেই আমাদের ফ্লাইট। সকাল সকাল রওনা দিয়েও চার ঘণ্টা ধরে একই জায়গায় বসে আছি। গাড়ি এক ইঞ্চিও নড়ছে না। ফ্লাইট মিস হলে আমার ভিসা বাতিল হয়ে যাবে, শেষ হয়ে যাবে জীবনের সব সঞ্চয়।"
একইভাবে কাতারগামী আরেক মালপত্রবোঝাই মাইক্রোবাসের চালক জানান, সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছানো এখন অলৌকিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে তীব্র জট তৈরি হয়েছে।
যানজট নিরসন এবং বিদেশগামী যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হাইওয়ে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ ও সড়কের কিছু অংশের প্রতিবন্ধকতার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ নিরলস কাজ করছে এবং দ্রুত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতি দ্রুত বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে বহু প্রবাসী কর্মী যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে পারবেন না, যা শুধু তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনকেই বিপন্ন করবে না, বরং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সৃষ্টি হওয়া দীর্ঘ ও তীব্র যানজটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শতশত বিদেশগামী প্রবাসী যাত্রী। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই স্থানে যানবাহন স্থবির হয়ে থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে বিমানবন্দরে পৌঁছানো নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে না পেরে অনেকের ফ্লাইট মিস করার মতো আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যার ফলে হুমকির মুখে পড়েছে তাদের কষ্টার্জিত কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ, হঠাৎ গাড়ি বিকল হওয়া এবং নিয়ম না মেনে গাড়ি চালানো অপরিকল্পিত রাস্তার কাজের কারণে এই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোর থেকেই ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী লেনে হাজার হাজার যানবাহন আটকে থাকে।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রবাসী কর্মীরা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কিংবা শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগামী অনেক প্রবাসী পরিবার ও ব্যাগ-প্যাকেজ নিয়ে মহাসড়কেই আটকে থাকতে হয়েছে ।
কুমিল্লা ও নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সৌদি প্রবাসী কয়েকজন যাত্রী আক্ষেপ করে বলেন, "আজকেই আমাদের ফ্লাইট। সকাল সকাল রওনা দিয়েও চার ঘণ্টা ধরে একই জায়গায় বসে আছি। গাড়ি এক ইঞ্চিও নড়ছে না। ফ্লাইট মিস হলে আমার ভিসা বাতিল হয়ে যাবে, শেষ হয়ে যাবে জীবনের সব সঞ্চয়।"
একইভাবে কাতারগামী আরেক মালপত্রবোঝাই মাইক্রোবাসের চালক জানান, সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছানো এখন অলৌকিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কের প্রতিটি মোড়ে তীব্র জট তৈরি হয়েছে।
যানজট নিরসন এবং বিদেশগামী যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হাইওয়ে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ ও সড়কের কিছু অংশের প্রতিবন্ধকতার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ নিরলস কাজ করছে এবং দ্রুত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতি দ্রুত বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে বহু প্রবাসী কর্মী যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে পারবেন না, যা শুধু তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনকেই বিপন্ন করবে না, বরং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন