আরিফ হোসেন, মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর মান্দায় নতুন রাস্তা নির্মাণের নামে কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) প্রকল্পের টাকা কাজ না করেই তুলে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। লোকমুখে প্রচলিত প্রবাদ "কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই"—বাস্তবে ঠিক এমন চিত্রই দেখা গেছে উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের কাঁশোপাড়া ফ্যালেঙ্গাপাড়া গ্রামে। সোবহানের বাড়ি থেকে মহসিন প্রফেসরের বাড়ি অভিমুখী রাস্তাটি কাগজে-কলমে সম্পূর্ণ দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হলেও বাস্তবে সেখানে কোনো কাজের অস্তিত্ব মেলেনি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে উক্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য কাবিটা প্রকল্প থেকে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও বাস্তবে রাস্তার কোনো চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি। অথচ প্রকল্পের নথিপত্র অনুযায়ী বরাদ্দকৃত অর্থের পুরোটাই উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের সভাপতি (পিআইসি) মফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "প্রকল্পের বরাদ্দ বা কাজ সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। শুধু মজুরি দিয়ে আমাকে কাজ করানো হয়েছে।" তিনি দাবি করেন, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ওহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে সবকিছু জানেন। মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলামের দূর সম্পর্কের মামা হওয়ার সুবাদে ওহিদুল ইসলামের সাথে লিয়াজোঁ করেই এ বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং তাকে শুধুই ‘ফরমালিটি’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম স্বীকার করেন যে রাস্তাটির কাজ এখনো হয়নি। বর্ষা মৌসুম শেষ হলে কাজটি করা হবে বলে তিনি জানান। তবে কাজ না করে কীভাবে পুরো বিল উত্তোলন করা হলো—এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। প্রকল্পের সভাপতির না জানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সভাপতিকে ফরমালিটি হিসেবে রাখা হয়েছে। তবে জালিয়াতি ও বিল উত্তোলনের বিষয়ে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট ও সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
আরিফ হোসেন, মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর মান্দায় নতুন রাস্তা নির্মাণের নামে কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) প্রকল্পের টাকা কাজ না করেই তুলে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। লোকমুখে প্রচলিত প্রবাদ "কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই"—বাস্তবে ঠিক এমন চিত্রই দেখা গেছে উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের কাঁশোপাড়া ফ্যালেঙ্গাপাড়া গ্রামে। সোবহানের বাড়ি থেকে মহসিন প্রফেসরের বাড়ি অভিমুখী রাস্তাটি কাগজে-কলমে সম্পূর্ণ দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হলেও বাস্তবে সেখানে কোনো কাজের অস্তিত্ব মেলেনি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে উক্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য কাবিটা প্রকল্প থেকে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও বাস্তবে রাস্তার কোনো চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি। অথচ প্রকল্পের নথিপত্র অনুযায়ী বরাদ্দকৃত অর্থের পুরোটাই উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের সভাপতি (পিআইসি) মফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "প্রকল্পের বরাদ্দ বা কাজ সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। শুধু মজুরি দিয়ে আমাকে কাজ করানো হয়েছে।" তিনি দাবি করেন, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ওহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে সবকিছু জানেন। মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলামের দূর সম্পর্কের মামা হওয়ার সুবাদে ওহিদুল ইসলামের সাথে লিয়াজোঁ করেই এ বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং তাকে শুধুই ‘ফরমালিটি’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম স্বীকার করেন যে রাস্তাটির কাজ এখনো হয়নি। বর্ষা মৌসুম শেষ হলে কাজটি করা হবে বলে তিনি জানান। তবে কাজ না করে কীভাবে পুরো বিল উত্তোলন করা হলো—এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। প্রকল্পের সভাপতির না জানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সভাপতিকে ফরমালিটি হিসেবে রাখা হয়েছে। তবে জালিয়াতি ও বিল উত্তোলনের বিষয়ে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট ও সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

আপনার মতামত লিখুন