নোয়াখালী জেলার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও কৃত্রিম জলজট নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ খালের ওপর নির্মিত 'রিকশাওয়ালার বাঁধ' নামে পরিচিত প্রতিবন্ধকতাটি অপসারণ করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে নোয়াখালী-৪ ও নোয়াখালী-৫ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিতে এই বাঁধ কাটার কাজ সম্পন্ন হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত এই বাঁধের কারণে আশপাশের বিশাল এলাকার স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি প্লাবিত হয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছিলেন হাজার হাজার মানুষ।
জলজট নিরসনে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির মুখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকিতে নোয়াখালী ৪ আসনের এমপি মোহাম্মদ শাহাজাহান ও নোয়াখালী ৫ আসনের সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম সহ জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বাঁধ কেটে খালের পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বাঁধ অপসারণের সময় সংসদ সদস্যদ্বয় উপস্থিত থেকে কাজের তদারকি করেন। তারা বলেন, "অঞ্চলটিকে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত রাখতে সকল অবৈধ দখল ও বাঁধ অপসারণে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী যেকোনো প্রতিবন্ধকতা পর্যায়ক্রম অপসারণ করা হবে।"
বাঁধটি কেটে দেওয়ায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাওয়ার আশা করছেন স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষ।
দ্রুত পানি নিষ্কাশন শুরু হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে। এ সময় জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
নোয়াখালী জেলার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও কৃত্রিম জলজট নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ খালের ওপর নির্মিত 'রিকশাওয়ালার বাঁধ' নামে পরিচিত প্রতিবন্ধকতাটি অপসারণ করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে নোয়াখালী-৪ ও নোয়াখালী-৫ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিতে এই বাঁধ কাটার কাজ সম্পন্ন হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত এই বাঁধের কারণে আশপাশের বিশাল এলাকার স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি প্লাবিত হয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছিলেন হাজার হাজার মানুষ।
জলজট নিরসনে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির মুখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকিতে নোয়াখালী ৪ আসনের এমপি মোহাম্মদ শাহাজাহান ও নোয়াখালী ৫ আসনের সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম সহ জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বাঁধ কেটে খালের পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বাঁধ অপসারণের সময় সংসদ সদস্যদ্বয় উপস্থিত থেকে কাজের তদারকি করেন। তারা বলেন, "অঞ্চলটিকে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত রাখতে সকল অবৈধ দখল ও বাঁধ অপসারণে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী যেকোনো প্রতিবন্ধকতা পর্যায়ক্রম অপসারণ করা হবে।"
বাঁধটি কেটে দেওয়ায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাওয়ার আশা করছেন স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষ।
দ্রুত পানি নিষ্কাশন শুরু হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে। এ সময় জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন