ফেনীর সোনাগাজীর চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রফি হত্যা মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের ওপর রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ৪০ মিনিট থেকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে চূড়ান্ত এই মামলার রায় পাঠ শুরু হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির। অপরদিকে আসামিপক্ষে উপস্থিত আছেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাসুদ হোসেন দোলন ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় দণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষে গত ১০ জুন প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টে এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। এর পরপরই নুসরাত হত্যা মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। পরে গত ২৮ জুলাই থেকে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়েছিল। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) বাধ্যতামূলক।
২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নুসরাত হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় দেন। রায়ে মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।
মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদ-দৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন, হাফেজ আবদুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মণি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি, আবদুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল ও মোহাম্মদ শামীম।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন নুসরাতের মা। মামলা প্রত্যাহারে অস্বীকৃতি জানালে নুসরাতকে হত্যার চক্রান্ত করা হয়। পরবর্তীতে ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে নুসরাতকে কৌশলে ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল নুসরাত মারা যান।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
ফেনীর সোনাগাজীর চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রফি হত্যা মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের ওপর রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ৪০ মিনিট থেকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে চূড়ান্ত এই মামলার রায় পাঠ শুরু হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির। অপরদিকে আসামিপক্ষে উপস্থিত আছেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাসুদ হোসেন দোলন ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় দণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষে গত ১০ জুন প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টে এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। এর পরপরই নুসরাত হত্যা মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। পরে গত ২৮ জুলাই থেকে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়েছিল। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) বাধ্যতামূলক।
২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নুসরাত হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় দেন। রায়ে মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।
মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদ-দৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন, হাফেজ আবদুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মণি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি, আবদুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল ও মোহাম্মদ শামীম।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন নুসরাতের মা। মামলা প্রত্যাহারে অস্বীকৃতি জানালে নুসরাতকে হত্যার চক্রান্ত করা হয়। পরবর্তীতে ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে নুসরাতকে কৌশলে ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল নুসরাত মারা যান।

আপনার মতামত লিখুন