জিম্বাবুয়ে সফরে চোটের কারণে একাধিক ক্রিকেটারকে হারানোকে ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার। তবে তিনি মনে করেন, জিম্বাবুয়ে সফরে পেসার নাহিদ রানাকে খেলানো প্রয়োজন ছিল।
সোমবার মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে হাবিবুল বাশার বলেন, নাহিদ রানাকে অস্ট্রেলিয়া সফরে না পাওয়া বাংলাদেশের জন্য বড় ক্ষতি। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের জন্যও তার মতো গতিতারকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ চিকিৎসার জন্য সোমবার রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে। সেখানে তারা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক বলেন, টেস্ট দলই বাংলাদেশের সবচেয়ে স্থিতিশীল দল। সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতেও দল ভালো করেছে। তবে শেষ মুহূর্তে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারের চোট পরিকল্পনায় বড় প্রভাব ফেলেছে।
তিনি বলেন, ‘সব সময় সেরা একাদশ পাওয়া যায় না। যারা ফিট আছে, তাদের নিয়েই সেরা সম্ভাব্য দল গঠন করা হয়েছে।’
দলে জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলামকে নেওয়ার বিষয়ে হাবিবুল বলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করে জাকের আবার নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। মাহিদুলকে ব্যাকআপ উইকেটকিপার হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সামনে বড় সূচি মাথায় রেখে খেলোয়াড়দের প্রস্তুত রাখাই দলের লক্ষ্য।
সৌম্য সরকারের দলে ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, দলে বাঁহাতি ব্যাটারের সংখ্যা বেশি থাকায় একজন ডানহাতি ওপেনারের প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতার কারণে সৌম্যকে দলে নেওয়া হয়েছে।
নাহিদ রানার চোট প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক জানান, পেসারদের ওয়ার্কলোড জিপিএস ডেটার মাধ্যমে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। তিনি বলেন, ‘জিম্বাবুয়েতে তাকে খেলানোর প্রয়োজন ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সে চোট পেয়েছে। এমন চোট অনুশীলনেও হতে পারত, অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েও হতে পারত।’
হাবিবুল আরও বলেন, পেস বোলারদের ক্ষেত্রে চোটের ঝুঁকি পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয়, তবে তা যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়।
নাহিদ রানাকে না পাওয়া বড় ধাক্কা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ক্রিকেটে তার মতো গতির বোলার খুব বেশি নেই। তবে আমাদের তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেনকে নিয়েই সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।’

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
জিম্বাবুয়ে সফরে চোটের কারণে একাধিক ক্রিকেটারকে হারানোকে ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার। তবে তিনি মনে করেন, জিম্বাবুয়ে সফরে পেসার নাহিদ রানাকে খেলানো প্রয়োজন ছিল।
সোমবার মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে হাবিবুল বাশার বলেন, নাহিদ রানাকে অস্ট্রেলিয়া সফরে না পাওয়া বাংলাদেশের জন্য বড় ক্ষতি। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের জন্যও তার মতো গতিতারকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ চিকিৎসার জন্য সোমবার রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে। সেখানে তারা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক বলেন, টেস্ট দলই বাংলাদেশের সবচেয়ে স্থিতিশীল দল। সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতেও দল ভালো করেছে। তবে শেষ মুহূর্তে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারের চোট পরিকল্পনায় বড় প্রভাব ফেলেছে।
তিনি বলেন, ‘সব সময় সেরা একাদশ পাওয়া যায় না। যারা ফিট আছে, তাদের নিয়েই সেরা সম্ভাব্য দল গঠন করা হয়েছে।’
দলে জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলামকে নেওয়ার বিষয়ে হাবিবুল বলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করে জাকের আবার নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। মাহিদুলকে ব্যাকআপ উইকেটকিপার হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সামনে বড় সূচি মাথায় রেখে খেলোয়াড়দের প্রস্তুত রাখাই দলের লক্ষ্য।
সৌম্য সরকারের দলে ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, দলে বাঁহাতি ব্যাটারের সংখ্যা বেশি থাকায় একজন ডানহাতি ওপেনারের প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতার কারণে সৌম্যকে দলে নেওয়া হয়েছে।
নাহিদ রানার চোট প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক জানান, পেসারদের ওয়ার্কলোড জিপিএস ডেটার মাধ্যমে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। তিনি বলেন, ‘জিম্বাবুয়েতে তাকে খেলানোর প্রয়োজন ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সে চোট পেয়েছে। এমন চোট অনুশীলনেও হতে পারত, অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েও হতে পারত।’
হাবিবুল আরও বলেন, পেস বোলারদের ক্ষেত্রে চোটের ঝুঁকি পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয়, তবে তা যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়।
নাহিদ রানাকে না পাওয়া বড় ধাক্কা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ক্রিকেটে তার মতো গতির বোলার খুব বেশি নেই। তবে আমাদের তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেনকে নিয়েই সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন