শিমুল অধিকারী সুমন, চাঁদপুর :
গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করা এবং পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ আরও গতিশীল করতে চাঁদপুরের হাইমচরে নেওয়া হচ্ছে নতুন উদ্যোগ। উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় এনে ২৪ ফুট প্রশস্ত করার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে হাইমচরের সড়ক যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) হাইমচর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ‘গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ’ বিষয়ক কর্মশালায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকৌশলী আশরাফুল হাসান।
কর্মশালায় উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক চিহ্নিত করা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং ভবিষ্যৎ সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়। এর মধ্যে তিনটি প্রধান সড়ককে কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় এনে ২৪ ফুট প্রশস্ত করার প্রাথমিক প্রস্তাব বিশেষ গুরুত্ব পায়।
হাইমচর নদীবেষ্টিত জনপদ হওয়ায় এখানকার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে উন্নত সড়ক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়কগুলো প্রশস্ত ও পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা গেলে স্থানীয় মানুষের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহনে সময় ও ভোগান্তি কমানো, পণ্য সরবরাহব্যবস্থা উন্নত করা এবং পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এ ছাড়া সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে গ্রামীণ জনপদে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি পরিবহন সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব সুফল নির্ভর করবে প্রস্তাবিত পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের ওপর।
কর্মশালায় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন হাইমচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাকিল খন্দকার, কোর রোড নেটওয়ার্ক কনসালট্যান্ট আবদুল্লাহ, জিআইএস স্পেশালিস্ট বেটস, এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আশিক আলম, ৩ নম্বর দক্ষিণ আলগী দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার আব্দুল জলিল মাস্টার এবং ১ নম্বর গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সবুজ।
এ ছাড়া সাংবাদিক শিমুল অধিকারী সুমনসহ এলজিইডি, হাইমচর উপজেলা কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণের এ উদ্যোগ হাইমচরের যোগাযোগব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তিনটি সড়কের নাম, চূড়ান্ত নকশা, অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ ও নির্মাণকাজ শুরুর সময়সূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
এখন সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রাথমিক আলোচনা ও পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে হাইমচরের গ্রামীণ জনপদে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শিমুল অধিকারী সুমন, চাঁদপুর :
গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করা এবং পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ আরও গতিশীল করতে চাঁদপুরের হাইমচরে নেওয়া হচ্ছে নতুন উদ্যোগ। উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় এনে ২৪ ফুট প্রশস্ত করার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে হাইমচরের সড়ক যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) হাইমচর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ‘গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ’ বিষয়ক কর্মশালায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকৌশলী আশরাফুল হাসান।
কর্মশালায় উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক চিহ্নিত করা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং ভবিষ্যৎ সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়। এর মধ্যে তিনটি প্রধান সড়ককে কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় এনে ২৪ ফুট প্রশস্ত করার প্রাথমিক প্রস্তাব বিশেষ গুরুত্ব পায়।
হাইমচর নদীবেষ্টিত জনপদ হওয়ায় এখানকার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে উন্নত সড়ক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়কগুলো প্রশস্ত ও পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা গেলে স্থানীয় মানুষের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহনে সময় ও ভোগান্তি কমানো, পণ্য সরবরাহব্যবস্থা উন্নত করা এবং পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এ ছাড়া সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে গ্রামীণ জনপদে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি পরিবহন সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব সুফল নির্ভর করবে প্রস্তাবিত পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের ওপর।
কর্মশালায় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন হাইমচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাকিল খন্দকার, কোর রোড নেটওয়ার্ক কনসালট্যান্ট আবদুল্লাহ, জিআইএস স্পেশালিস্ট বেটস, এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আশিক আলম, ৩ নম্বর দক্ষিণ আলগী দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার আব্দুল জলিল মাস্টার এবং ১ নম্বর গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সবুজ।
এ ছাড়া সাংবাদিক শিমুল অধিকারী সুমনসহ এলজিইডি, হাইমচর উপজেলা কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণের এ উদ্যোগ হাইমচরের যোগাযোগব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তিনটি সড়কের নাম, চূড়ান্ত নকশা, অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ ও নির্মাণকাজ শুরুর সময়সূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
এখন সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রাথমিক আলোচনা ও পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং উন্নত সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে হাইমচরের গ্রামীণ জনপদে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

আপনার মতামত লিখুন