লগইন
প্রাইম টিভি
আপডেট : মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে নদী ভাঙন হুমকির মুখে তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

পটুয়াখালীর বাউফলে  নদী ভাঙন হুমকির মুখে তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

পটুয়াখালীর বাউফলে কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে একটি বিদ্যালয় নদীর তীর থেকে মাত্র ২০ থেকে ২৫ ফুট দূরে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়গুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 

কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নে বাড়ছে আতঙ্ক। ঝুঁকিতে পড়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে চররঘুনাথদ্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীর তীর থেকে বিদ্যালয়টির দূরত্ব এখন মাত্র ২০ থেকে ২৫ ফুট। একইভাবে ভাঙনের মুখে রয়েছে হিসাজাত ও পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়দের দাবি, গত এক মাসে পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের প্রায় ৫০ ফুট জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়িও। যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

“ভাঙন যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিদ্যালয়গুলো নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি। দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” ভাঙন আরও বাড়লে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

কারখানা নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় রক্ষায় দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পটুয়াখালীর বাউফলে নদী ভাঙন হুমকির মুখে তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image


পটুয়াখালীর বাউফলে কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে একটি বিদ্যালয় নদীর তীর থেকে মাত্র ২০ থেকে ২৫ ফুট দূরে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়গুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 


কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নে বাড়ছে আতঙ্ক। ঝুঁকিতে পড়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে চররঘুনাথদ্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীর তীর থেকে বিদ্যালয়টির দূরত্ব এখন মাত্র ২০ থেকে ২৫ ফুট। একইভাবে ভাঙনের মুখে রয়েছে হিসাজাত ও পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়দের দাবি, গত এক মাসে পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের প্রায় ৫০ ফুট জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়িও। যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।



“ভাঙন যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিদ্যালয়গুলো নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি। দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” ভাঙন আরও বাড়লে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 


কারখানা নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় রক্ষায় দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ।



প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি