সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যালয় চত্বরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী বকুল ফুলের গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার সরকারি ছুটির দিনে দেখা যায়, কার্যালয় চত্বরের বেশ কয়েকটি বড় বকুল গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, গাছগুলোর উচ্চতা ছিল প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ ফুট। অথচ গাছের গোড়া থেকে প্রায় ৮ থেকে ৯ ফুট রেখে উপরের বড় অংশ কেটে ফেলা হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের পুরোনো এসব গাছ এভাবে কাটায় ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। তাদের প্রশ্ন পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষার পরিবর্তে কেন এভাবে গাছের বড় অংশ কেটে ফেলা হচ্ছে?
বিষয়টি জানতে নওগাঁ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মতিয়ার রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাদের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর এনামুল হক। তার দাবি, এভাবে গাছ ছাঁটাই করলে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং এ বিষয়ে এনামুল হক আরও ভালো জানেন।
তবে গাছ কাটার আগে কোনো রেজুলেশন, টেন্ডার কিংবা দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে উপপরিচালক মতিয়ার রহমান জানান, এ ধরনের কোনো প্রক্রিয়া করা হয়নি।
এদিকে গাছ কাটার সিদ্ধান্তের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর এনামুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রায় দুই দশকের পুরোনো বকুল গাছ এভাবে কেটে ফেলার ঘটনায় এখন প্রশ্ন উঠছে কার সিদ্ধান্তে, কী উদ্দেশ্যে এবং কোন নিয়মে এসব গাছ কাটা হচ্ছে?
বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সবুজ হোসেন, নওগাঁ:
নওগাঁ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যালয় চত্বরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী বকুল ফুলের গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার সরকারি ছুটির দিনে দেখা যায়, কার্যালয় চত্বরের বেশ কয়েকটি বড় বকুল গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, গাছগুলোর উচ্চতা ছিল প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ ফুট। অথচ গাছের গোড়া থেকে প্রায় ৮ থেকে ৯ ফুট রেখে উপরের বড় অংশ কেটে ফেলা হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের পুরোনো এসব গাছ এভাবে কাটায় ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। তাদের প্রশ্ন পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষার পরিবর্তে কেন এভাবে গাছের বড় অংশ কেটে ফেলা হচ্ছে?
বিষয়টি জানতে নওগাঁ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মতিয়ার রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাদের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর এনামুল হক। তার দাবি, এভাবে গাছ ছাঁটাই করলে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং এ বিষয়ে এনামুল হক আরও ভালো জানেন।
তবে গাছ কাটার আগে কোনো রেজুলেশন, টেন্ডার কিংবা দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে উপপরিচালক মতিয়ার রহমান জানান, এ ধরনের কোনো প্রক্রিয়া করা হয়নি।
এদিকে গাছ কাটার সিদ্ধান্তের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর এনামুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রায় দুই দশকের পুরোনো বকুল গাছ এভাবে কেটে ফেলার ঘটনায় এখন প্রশ্ন উঠছে কার সিদ্ধান্তে, কী উদ্দেশ্যে এবং কোন নিয়মে এসব গাছ কাটা হচ্ছে?
বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন