লগইন
প্রাইম টিভি
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধামইরহাটে হত্যাকাণ্ড: মামলা রুজুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৫ আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

ধামইরহাটে হত্যাকাণ্ড: মামলা রুজুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৫ আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার


সবুজ হোসেন, নওগাঁ:

নওগাঁর ধামইরহাটে মুস্তাকিন (২০) নামে এক যুবক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা রুজুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবলও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানা-পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধামইরহাট উপজেলার সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ধামইরহাট থানার বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মুস্তাকিন (২০), পিতা মো. বেলাল হোসেন। মাছ ধরার তৌরা জাল ২০০ টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে আসামিরা মুস্তাকিন ও তার মাকে মারধর করেন। এতে তারা গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর মামলা রুজু হলে পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে। মামলার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. রতন হোসেন (২২), মো. সাইদুল ইসলাম (২৪), আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু মো. হাসান (১৪), মোছা. রোকেয়া বেগম (৫৫) এবং মোছা. জাকিয়া বেগম (১৯)। তাদের মধ্যে রতন, সাইদুল ও হাসান একই ব্যক্তি আব্দুল জলিলের সন্তান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার সাইদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবল উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ধামইরহাটে হত্যাকাণ্ড: মামলা রুজুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৫ আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image



সবুজ হোসেন, নওগাঁ:

নওগাঁর ধামইরহাটে মুস্তাকিন (২০) নামে এক যুবক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা রুজুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবলও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানা-পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধামইরহাট উপজেলার সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ধামইরহাট থানার বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মুস্তাকিন (২০), পিতা মো. বেলাল হোসেন। মাছ ধরার তৌরা জাল ২০০ টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে আসামিরা মুস্তাকিন ও তার মাকে মারধর করেন। এতে তারা গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর মামলা রুজু হলে পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে। মামলার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. রতন হোসেন (২২), মো. সাইদুল ইসলাম (২৪), আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু মো. হাসান (১৪), মোছা. রোকেয়া বেগম (৫৫) এবং মোছা. জাকিয়া বেগম (১৯)। তাদের মধ্যে রতন, সাইদুল ও হাসান একই ব্যক্তি আব্দুল জলিলের সন্তান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার সাইদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবল উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি