আনিসুল ইসলাম,গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুর মহানগরীর গাছা ও বোর্ডবাজার এলাকায় বিভিন্ন অনিয়ম ও পণ্যের গুণগত মানে কারচুপির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বমোট ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলা এনএসআই কার্যালয়ের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গাছা থানার ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের বগারটেক এলাকায় ‘নাফ এগ্রো ফুড অ্যান্ড বেভারেজ’ কারখানায় পণ্যের মোড়কজাতকরণে তথ্য অনুপস্থিতি এবং ‘মিল্ক টি’ পণ্যে মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এসব অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান আজিজুল হক (৩৯)-কে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরবর্তীতে বোর্ডবাজারের খাইলকুর বটতলা রহম আলী রোড এলাকায় ‘তৌহিদ ফুড প্রোডাক্টস’ বিপণন কেন্দ্রে অভিযান চালানো হয়। সেখানে অন্য স্থান থেকে পণ্য সংগ্রহ করে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের সিল ও মোড়ক ব্যবহার করে বাজারজাত করার প্রমাণ মেলে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান সোহাগ আলী (২৪)-কে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সবশেষে গাছা মধ্যপাড়া এলাকার ‘কিং পাওয়ার ব্যাটারি’ কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে আদালাত। সেখানে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন লঙ্ঘন, মোড়কে বাংলা ভাষার ব্যতিরেক এবং উৎপাদনস্থল সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াতে চীনা ভাষায় ‘চীনে তৈরি’ লিখে রাখার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুর নিশাত এবং বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক চিন্ময় জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইন অনুযায়ী এসব অপরাধের ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও কাউকে জেল-হাজতে পাঠানো হয়নি। একইসঙ্গে ব্যাটারি কারখানায় অবস্থানরত একজন চীনা নাগরিকের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআই কর্মকর্তা জানান, ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা এবং বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করতে তাদের এই ধরনের ভেজাল ও অনিয়মবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আনিসুল ইসলাম,গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুর মহানগরীর গাছা ও বোর্ডবাজার এলাকায় বিভিন্ন অনিয়ম ও পণ্যের গুণগত মানে কারচুপির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বমোট ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলা এনএসআই কার্যালয়ের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গাছা থানার ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের বগারটেক এলাকায় ‘নাফ এগ্রো ফুড অ্যান্ড বেভারেজ’ কারখানায় পণ্যের মোড়কজাতকরণে তথ্য অনুপস্থিতি এবং ‘মিল্ক টি’ পণ্যে মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এসব অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান আজিজুল হক (৩৯)-কে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরবর্তীতে বোর্ডবাজারের খাইলকুর বটতলা রহম আলী রোড এলাকায় ‘তৌহিদ ফুড প্রোডাক্টস’ বিপণন কেন্দ্রে অভিযান চালানো হয়। সেখানে অন্য স্থান থেকে পণ্য সংগ্রহ করে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের সিল ও মোড়ক ব্যবহার করে বাজারজাত করার প্রমাণ মেলে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান সোহাগ আলী (২৪)-কে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সবশেষে গাছা মধ্যপাড়া এলাকার ‘কিং পাওয়ার ব্যাটারি’ কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে আদালাত। সেখানে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন লঙ্ঘন, মোড়কে বাংলা ভাষার ব্যতিরেক এবং উৎপাদনস্থল সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াতে চীনা ভাষায় ‘চীনে তৈরি’ লিখে রাখার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুর নিশাত এবং বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক চিন্ময় জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইন অনুযায়ী এসব অপরাধের ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও কাউকে জেল-হাজতে পাঠানো হয়নি। একইসঙ্গে ব্যাটারি কারখানায় অবস্থানরত একজন চীনা নাগরিকের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআই কর্মকর্তা জানান, ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা এবং বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করতে তাদের এই ধরনের ভেজাল ও অনিয়মবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন