নাজমুল হক, নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর সাপাহারে রুবেল হক (২৬) নামে এক গ্রামপুলিশের গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গোয়ালা ইউনিয়নের কদমডাঙ্গা গ্রামের একটি আমবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রুবেল হক গোয়ালা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রামপুলিশ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি কদমডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রুবেল হকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঝগড়া-বিবাদ হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন গোয়ালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে যান। পরে উভয় পক্ষের কথা শুনে চেয়ারম্যান তাঁদের বুঝিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে একসঙ্গে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বাড়ি ফেরার পর রাত ৯টার দিকে রুবেল বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাতে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি। বুধবার সকালে স্থানীয়রা আমবাগানে গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
গোয়ালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বলেন, রুবেলের স্ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পর্কের সন্দেহের অভিযোগ করা হয়েছিল। পরে উভয় পক্ষের কথা শুনে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয় এবং তাঁদের একসঙ্গে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সকালে রুবেলের মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।
সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাজমুল হক, নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর সাপাহারে রুবেল হক (২৬) নামে এক গ্রামপুলিশের গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গোয়ালা ইউনিয়নের কদমডাঙ্গা গ্রামের একটি আমবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রুবেল হক গোয়ালা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রামপুলিশ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি কদমডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রুবেল হকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঝগড়া-বিবাদ হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন গোয়ালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে যান। পরে উভয় পক্ষের কথা শুনে চেয়ারম্যান তাঁদের বুঝিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে একসঙ্গে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বাড়ি ফেরার পর রাত ৯টার দিকে রুবেল বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাতে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি। বুধবার সকালে স্থানীয়রা আমবাগানে গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
গোয়ালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বলেন, রুবেলের স্ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পর্কের সন্দেহের অভিযোগ করা হয়েছিল। পরে উভয় পক্ষের কথা শুনে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয় এবং তাঁদের একসঙ্গে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সকালে রুবেলের মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।
সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন