মোঃ আরিফুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার
টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে তাওহিদ নামে পাঁচ বছরের এক শিশুকে তার বাবা ও সৎ মা নৃশংসভাবে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহিদ ওই এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে শিশুটিকে তার বাবা ও সৎ মা শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। একপর্যায়ে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। ঘটনার দিনও তাকে মারধর করা হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্তসহ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মোঃ আরিফুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার
টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে তাওহিদ নামে পাঁচ বছরের এক শিশুকে তার বাবা ও সৎ মা নৃশংসভাবে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহিদ ওই এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে শিশুটিকে তার বাবা ও সৎ মা শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। একপর্যায়ে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। ঘটনার দিনও তাকে মারধর করা হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্তসহ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন