মাহমুদুল হাসান,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
লঘুচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীতে অস্বাভাবিক জোয়ার দেখা দিয়েছে। আগুনমুখা, দারছিড়া, বুড়াগৌরাঙ্গ ও রাবনাবাদ নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট বেড়ে গেছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১টার দিকে জোয়ারের পানি ঢুকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন চালিতাবুনিয়া। এই ইউনিয়নের ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। ফলে বেড়িবাঁধের বাইরে এবং ভেতরে থাকা মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টানা লঘুচাপ ও নিম্নচাপের কারণে অতিরিক্ত পানির চাপে চালিতাবুনিয়া বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। এতে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। পানিতে রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো হলো - গরু ভাঙা, মধ্য চালিতাবুনিয়া ও বিবির হাওলা গ্রাম। জোয়ারের পানিতে বসতবাড়ির আঙিনা, রান্নাঘর, কৃষিজমি ও মাছের ঘের তলিয়ে যায়। একইসাথে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডাসহ বিভিন্ন এলাকাও জোয়ারের পানিতে ডুবে গেছে।
এদিকে আবহাওয়া অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থানরত লঘুচাপটি এখন একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পায়রা সহ দেশের সকল সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাগরে থাকা সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিপ্লব হাওলাদার বলেন, "চালিতাবুনিয়া ও বিবির হাওলা গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। নতুন যে বেড়িবাঁধ হয়েছে, তা দিয়ে পানি আটকায় না। পুরাতন ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়েই পানি ঢুকছে। এই জোয়ারের পানি প্রায় সময়ই হয়।"

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাহমুদুল হাসান,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
লঘুচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীতে অস্বাভাবিক জোয়ার দেখা দিয়েছে। আগুনমুখা, দারছিড়া, বুড়াগৌরাঙ্গ ও রাবনাবাদ নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট বেড়ে গেছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১টার দিকে জোয়ারের পানি ঢুকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন চালিতাবুনিয়া। এই ইউনিয়নের ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। ফলে বেড়িবাঁধের বাইরে এবং ভেতরে থাকা মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টানা লঘুচাপ ও নিম্নচাপের কারণে অতিরিক্ত পানির চাপে চালিতাবুনিয়া বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। এতে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। পানিতে রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো হলো - গরু ভাঙা, মধ্য চালিতাবুনিয়া ও বিবির হাওলা গ্রাম। জোয়ারের পানিতে বসতবাড়ির আঙিনা, রান্নাঘর, কৃষিজমি ও মাছের ঘের তলিয়ে যায়। একইসাথে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডাসহ বিভিন্ন এলাকাও জোয়ারের পানিতে ডুবে গেছে।
এদিকে আবহাওয়া অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থানরত লঘুচাপটি এখন একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পায়রা সহ দেশের সকল সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাগরে থাকা সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিপ্লব হাওলাদার বলেন, "চালিতাবুনিয়া ও বিবির হাওলা গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। নতুন যে বেড়িবাঁধ হয়েছে, তা দিয়ে পানি আটকায় না। পুরাতন ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়েই পানি ঢুকছে। এই জোয়ারের পানি প্রায় সময়ই হয়।"

আপনার মতামত লিখুন