লগইন
প্রাইম টিভি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় থেরাপি দিতে গিয়ে নবজাতকের পা ভাঙলেন নার্স।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় থেরাপি দিতে গিয়ে নবজাতকের পা ভাঙলেন নার্স।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ দিন বয়সী এক নবজাতকের পা ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্মরত সেবিকাদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ম্যাক্স হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে ফটো থেরাপি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

তবে নার্সদের অবহেলায় আহত নবজাতকের পা ভেঙে যাওয়ার পরেও বিষয়টি গোপন রাখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকি ভাঙ্গা পায়ের এক্সরে রিপোর্টও অভিভাবকদের না দেখানোর অভিযোগ করেছেন শিশুর স্বজনরা। 

সরেজমিনে জানা যায়, গত (২৯ আগষ্ট) শনিবার ওই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ভর্তি হন প্রসূতি গৃহবধূ জান্নাতি আক্তার কনা বেগম। পরে ওইদিন রাতেই অস্ত্রপাচার সম্পূর্ণ হলে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। তবে বিপত্তি ঘটে হাসপাতাল থেকে ছাড় পত্র নিয়ে বাড়ি ফেরার ঠিক আগ মুহূর্তে। 

হাসপাতালের শয্যায় কান্নাজড়িত কন্ঠে  নবজাতকের মা কনা বেগম জানান, অনেক সাধনায় ৬ বছর পর প্রথম মা হয়েছি। কিন্তু নার্স খাদিজা আমার বাচ্চাকে চোখের রং পরিবর্তনের জন্য তাপ দিতে নিয়ে গিয়ে পা ভেঙেছে। আমার সুস্থ ছেলের পা ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে। 

এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তেন মং  বলেন, আমি বর্তমানে অসুস্থ এবং চিকিৎসাধীন। তবে আমি কর্মস্থলে ফিরে এবিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
প্রাইম টিভি

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় থেরাপি দিতে গিয়ে নবজাতকের পা ভাঙলেন নার্স।

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image



পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ দিন বয়সী এক নবজাতকের পা ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্মরত সেবিকাদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ম্যাক্স হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে ফটো থেরাপি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।


তবে নার্সদের অবহেলায় আহত নবজাতকের পা ভেঙে যাওয়ার পরেও বিষয়টি গোপন রাখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকি ভাঙ্গা পায়ের এক্সরে রিপোর্টও অভিভাবকদের না দেখানোর অভিযোগ করেছেন শিশুর স্বজনরা। 


সরেজমিনে জানা যায়, গত (২৯ আগষ্ট) শনিবার ওই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ভর্তি হন প্রসূতি গৃহবধূ জান্নাতি আক্তার কনা বেগম। পরে ওইদিন রাতেই অস্ত্রপাচার সম্পূর্ণ হলে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। তবে বিপত্তি ঘটে হাসপাতাল থেকে ছাড় পত্র নিয়ে বাড়ি ফেরার ঠিক আগ মুহূর্তে। 


হাসপাতালের শয্যায় কান্নাজড়িত কন্ঠে  নবজাতকের মা কনা বেগম জানান, অনেক সাধনায় ৬ বছর পর প্রথম মা হয়েছি। কিন্তু নার্স খাদিজা আমার বাচ্চাকে চোখের রং পরিবর্তনের জন্য তাপ দিতে নিয়ে গিয়ে পা ভেঙেছে। আমার সুস্থ ছেলের পা ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে। 


এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তেন মং  বলেন, আমি বর্তমানে অসুস্থ এবং চিকিৎসাধীন। তবে আমি কর্মস্থলে ফিরে এবিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


প্রাইম টিভি

নির্বাহী পরিচালক  

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত প্রাইম টিভি