আমির হোসেন
একটি অন্ধকাচ্ছন্ন প্রকোষ্ঠে কেটে যাচ্ছে অনেক গুলোদিন। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আহছান উল্লার বাক প্রতিবন্ধী (বোবা) ছেলে জাবেদকে দীর্ঘ সময় বিনাবিচারে কারাগারে আটকে রাখার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকাজুড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা বাক প্রতিবন্ধী জাবেদেকে তার বাড়ি থেকে গত আগষ্ট মাসে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পরবর্তী সময়ে তাকে নোয়াখালী কারাগারে পাঠানো হয়।
কথা বলতে ও নিজেকে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে না পারায় আইনি সহায়তাহীন অবস্থায় তাকে দীর্ঘ সময় ডিটেনশনে রাখা হয়। সম্প্রতি বিষয়টি সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সকলের নজরে এলে সমালোচনা ও সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একজন বাক প্রতিবন্ধী নাগরিকের জীবনের এতোটা দিন এভাবে আদালতের বারান্দা ও কারাগারের প্রকোষ্ঠে নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে আইনের শাসন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন সবাই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে অনেকেই লিখছেন, "কথা বলতে না পারাটাই কি তার অপরাধ ছিল?" অনেকে আবার দায়ী বিচারব্যবস্থা, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এবং আইন বিশেষজ্ঞদের চরম অবহেলাকে দায়ী করে তীব্র মন্তব্য করছেন। সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নেটিজেনরা অবিলম্বে জাবেদের মুক্তি, তার ও পরিবারের জন্য উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
সোস্যাল মিডিয়ায় মানুষ বলছেন, একটি সভ্য সমাজে কথা বলতে না পারা একজন অসহায় মানুষের দীর্ঘদিন জেলখাটা বিচার ব্যবস্থার এক চরম ব্যর্থতা। এ ঘটনায় জড়িত দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠছে সর্বস্তর থেকে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমির হোসেন
একটি অন্ধকাচ্ছন্ন প্রকোষ্ঠে কেটে যাচ্ছে অনেক গুলোদিন। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আহছান উল্লার বাক প্রতিবন্ধী (বোবা) ছেলে জাবেদকে দীর্ঘ সময় বিনাবিচারে কারাগারে আটকে রাখার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকাজুড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা বাক প্রতিবন্ধী জাবেদেকে তার বাড়ি থেকে গত আগষ্ট মাসে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পরবর্তী সময়ে তাকে নোয়াখালী কারাগারে পাঠানো হয়।
কথা বলতে ও নিজেকে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে না পারায় আইনি সহায়তাহীন অবস্থায় তাকে দীর্ঘ সময় ডিটেনশনে রাখা হয়। সম্প্রতি বিষয়টি সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সকলের নজরে এলে সমালোচনা ও সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একজন বাক প্রতিবন্ধী নাগরিকের জীবনের এতোটা দিন এভাবে আদালতের বারান্দা ও কারাগারের প্রকোষ্ঠে নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে আইনের শাসন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন সবাই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে অনেকেই লিখছেন, "কথা বলতে না পারাটাই কি তার অপরাধ ছিল?" অনেকে আবার দায়ী বিচারব্যবস্থা, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এবং আইন বিশেষজ্ঞদের চরম অবহেলাকে দায়ী করে তীব্র মন্তব্য করছেন। সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নেটিজেনরা অবিলম্বে জাবেদের মুক্তি, তার ও পরিবারের জন্য উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
সোস্যাল মিডিয়ায় মানুষ বলছেন, একটি সভ্য সমাজে কথা বলতে না পারা একজন অসহায় মানুষের দীর্ঘদিন জেলখাটা বিচার ব্যবস্থার এক চরম ব্যর্থতা। এ ঘটনায় জড়িত দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠছে সর্বস্তর থেকে।

আপনার মতামত লিখুন