পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী ও বান্দরবান-৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি বান্দরবানে নতুন সংযোজন হিসেবে ‘হোটেল হিলি রেইনবো’র উদ্বোধন করেছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বান্দরবান শহরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে হোটেলটির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় ব্যবসায়ী, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন শেষে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী হোটেলের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং এর সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সাচিং প্রু জেরী বলেন, বান্দরবান দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটন জেলা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়, ঝরনা ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির টানে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে আসেন। পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানসম্মত হোটেল-মোটেলসহ পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। নতুন নতুন আবাসিক হোটেল ও পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।
সম্প্রতি বান্দরবানকে আরও সুন্দর ও পর্যটনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন সাচিং প্রু জেরী। তিনি বলেছিলেন, জেলার প্রতিটি হোটেল-মোটেল, পর্যটকবাহী যানবাহনসহ পর্যটননির্ভর ব্যবসা আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করতে হবে। পর্যটকরা যাতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ঘুরতে পারেন এবং হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় নিরাপদ খাবার গ্রহণ করতে পারেন, সেদিকেও পর্যটনসংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হতে হবে।
উদ্যোক্তারা জানান, ‘হোটেল হিলি রেইনবো’ বান্দরবানে আগত পর্যটকদের আধুনিক ও আরামদায়ক আবাসন সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। পর্যটন মৌসুমে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের চাহিদা পূরণে হোটেলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বান্দরবানে পর্যটন খাতকে আরও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন হোটেল, রিসোর্ট ও পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার মাধ্যমে জেলার পর্যটন অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন এই হোটেল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বান্দরবানের পর্যটন অবকাঠামোয় আরও একটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলো। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পর্যটকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ ধরনের উদ্যোগ জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী ও বান্দরবান-৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি বান্দরবানে নতুন সংযোজন হিসেবে ‘হোটেল হিলি রেইনবো’র উদ্বোধন করেছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বান্দরবান শহরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে হোটেলটির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় ব্যবসায়ী, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন শেষে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী হোটেলের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং এর সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সাচিং প্রু জেরী বলেন, বান্দরবান দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটন জেলা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়, ঝরনা ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির টানে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে আসেন। পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানসম্মত হোটেল-মোটেলসহ পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। নতুন নতুন আবাসিক হোটেল ও পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।
সম্প্রতি বান্দরবানকে আরও সুন্দর ও পর্যটনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন সাচিং প্রু জেরী। তিনি বলেছিলেন, জেলার প্রতিটি হোটেল-মোটেল, পর্যটকবাহী যানবাহনসহ পর্যটননির্ভর ব্যবসা আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করতে হবে। পর্যটকরা যাতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ঘুরতে পারেন এবং হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় নিরাপদ খাবার গ্রহণ করতে পারেন, সেদিকেও পর্যটনসংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হতে হবে।
উদ্যোক্তারা জানান, ‘হোটেল হিলি রেইনবো’ বান্দরবানে আগত পর্যটকদের আধুনিক ও আরামদায়ক আবাসন সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। পর্যটন মৌসুমে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের চাহিদা পূরণে হোটেলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বান্দরবানে পর্যটন খাতকে আরও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন হোটেল, রিসোর্ট ও পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার মাধ্যমে জেলার পর্যটন অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন এই হোটেল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বান্দরবানের পর্যটন অবকাঠামোয় আরও একটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলো। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পর্যটকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ ধরনের উদ্যোগ জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন