আবদুর রাজ্জাক, কক্সবাজার ব্যুরে প্রধান।।
বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জাহাঙ্গীর আলম (৪২) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট ২০২৬) রাতে উপজেলার জালিয়াছড়ি এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীর আলম বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকার আলী আহমদেী ছেলে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল জানতে পারে যে, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকার জনৈক জাহাঙ্গীর আলমের বসতবাড়িতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য মজুদ রয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ আগস্ট রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব সদস্যরা। এ সময় আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে পালানোর চেষ্টাকালে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসতবাড়ির উঠানের পাশে মাটির নিচে বিশেষভাবে বস্তাবন্দি অবস্থায় লুকানো ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মাদক কারবারে ব্যবহৃত ১টি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা থেকে অভিনব কৌশলে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বান্দরবান জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের মতো অভিশাপ নির্মূলে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র্যাব-১৫ এর এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
আবদুর রাজ্জাক, কক্সবাজার ব্যুরে প্রধান।।
বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জাহাঙ্গীর আলম (৪২) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট ২০২৬) রাতে উপজেলার জালিয়াছড়ি এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীর আলম বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকার আলী আহমদেী ছেলে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল জানতে পারে যে, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকার জনৈক জাহাঙ্গীর আলমের বসতবাড়িতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য মজুদ রয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ আগস্ট রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব সদস্যরা। এ সময় আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে পালানোর চেষ্টাকালে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসতবাড়ির উঠানের পাশে মাটির নিচে বিশেষভাবে বস্তাবন্দি অবস্থায় লুকানো ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মাদক কারবারে ব্যবহৃত ১টি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা থেকে অভিনব কৌশলে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বান্দরবান জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের মতো অভিশাপ নির্মূলে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র্যাব-১৫ এর এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন