গোপাল মালাকার,সাভার প্রতিনিধি।
সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল হওয়াতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তথেকে জীবিকার তাগিদে ছুটে আসে লক্ষাধিক শ্রমজীবী মানুষ । এ ইউনিয়নের অর্ন্তগত হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডটি পাশ্ববর্তী জেলা - মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের কয়েকটি উপজেলাকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে বিধায় রাজধানী সহ বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতের জন্য যাত্রীরা এই সড়কপথটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ব্যবহার করে আসছে।
এছাড়াও এই সড়কে গণপরিবহন, অটো রিক্সা, সিএনজি চালিয়ে অসংখ্য চালক তাদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। ঠিক এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে মহাসড়ক থেকে আঞ্চলিক সড়ক,ফুটপাতসহ হেমায়েতপুরের বিভিন্নস্থান থেকে অবাধে দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে চাঁদা তুলে যাচ্ছে কিছু প্রভাবশালীরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে দেখা যায় হেমায়েতপুর ঢাকা সিএনজি পাম্প সংলগ্ন সিএনজি চালিত অটোরিক্সা গ্যাস নিতে আসলে সে জায়গা থেকে চালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যেই চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়াও কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা গেছে লোকচক্ষু আড়াল করার জন্য কাগছে মুড়িয়ে চাঁদা আদায়কারীকে টাকা দিতে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সিএনজি ড্রাইভারদের সাথে কথা বলে জানাযায় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে মজুরী ভিত্তিক লোক নিয়োগ করে চাঁদা আদায় করছে।একজন চালক জানায়, আমরা কোন কোন দিন চাঁদা না দিতে চাইলে এই সড়কে গাড়ি চালাতে দিবে না বলেও হুমকি দেয়।
ব্যাটারীচালিত এক অটো চালক জানান চাঁদা নিয়ে গাড়ীর উইন্ডশিল্ডে রঙ্গীন কালি দিয়ে চিহ্ন দিয়ে দেয় যাতে পরবর্তীতে বুঝতে পারে সে চাঁদা দিয়েছে। মাঝে মাঝে চাঁদা পরে দিতে চাইলে গাড়ীতে ভাংচুর চালায় ও বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে।
বাস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশের এক ফল বিক্রেতা জানান দৈনিক সাতশত টাকা চাঁদা দিতে হয়।না দিতে চাইলে বলে "উঠে যাও তোমাকে চাঁদা দিতে হবে না"
তিনি (ফল ব্যবসায়ী) আরো জানান বাড়ীতে পরিবার আছে ঘরভাড়া, খাবার খরচসহ সব খরচের যোগান এই দোকান চালিয়েই আসে। আইজকা যদি উঠিয়ে দেয় কি কইরা খামু। টাকা নেয় নেওক বসবারতো পারি। দুটো ডালভাত খাইয়া তো বাঁচবার পারতাছি এটাই অনেক।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলমের নিকট প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিঁনি জানান পূর্বে আমরা এ বিষয়টি অবগত ছিলাম না। যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো এবং যদি এই চাঁদাবাজির সাথে পুলিশ প্রশাসনের কেউ জড়িত থাকে তবে তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
গোপাল মালাকার,সাভার প্রতিনিধি।
সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল হওয়াতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তথেকে জীবিকার তাগিদে ছুটে আসে লক্ষাধিক শ্রমজীবী মানুষ । এ ইউনিয়নের অর্ন্তগত হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডটি পাশ্ববর্তী জেলা - মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের কয়েকটি উপজেলাকে সরাসরি সংযুক্ত করেছে বিধায় রাজধানী সহ বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতের জন্য যাত্রীরা এই সড়কপথটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ব্যবহার করে আসছে।
এছাড়াও এই সড়কে গণপরিবহন, অটো রিক্সা, সিএনজি চালিয়ে অসংখ্য চালক তাদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। ঠিক এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে মহাসড়ক থেকে আঞ্চলিক সড়ক,ফুটপাতসহ হেমায়েতপুরের বিভিন্নস্থান থেকে অবাধে দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে চাঁদা তুলে যাচ্ছে কিছু প্রভাবশালীরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে দেখা যায় হেমায়েতপুর ঢাকা সিএনজি পাম্প সংলগ্ন সিএনজি চালিত অটোরিক্সা গ্যাস নিতে আসলে সে জায়গা থেকে চালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যেই চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়াও কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা গেছে লোকচক্ষু আড়াল করার জন্য কাগছে মুড়িয়ে চাঁদা আদায়কারীকে টাকা দিতে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সিএনজি ড্রাইভারদের সাথে কথা বলে জানাযায় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে মজুরী ভিত্তিক লোক নিয়োগ করে চাঁদা আদায় করছে।একজন চালক জানায়, আমরা কোন কোন দিন চাঁদা না দিতে চাইলে এই সড়কে গাড়ি চালাতে দিবে না বলেও হুমকি দেয়।
ব্যাটারীচালিত এক অটো চালক জানান চাঁদা নিয়ে গাড়ীর উইন্ডশিল্ডে রঙ্গীন কালি দিয়ে চিহ্ন দিয়ে দেয় যাতে পরবর্তীতে বুঝতে পারে সে চাঁদা দিয়েছে। মাঝে মাঝে চাঁদা পরে দিতে চাইলে গাড়ীতে ভাংচুর চালায় ও বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে।
বাস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশের এক ফল বিক্রেতা জানান দৈনিক সাতশত টাকা চাঁদা দিতে হয়।না দিতে চাইলে বলে "উঠে যাও তোমাকে চাঁদা দিতে হবে না"
তিনি (ফল ব্যবসায়ী) আরো জানান বাড়ীতে পরিবার আছে ঘরভাড়া, খাবার খরচসহ সব খরচের যোগান এই দোকান চালিয়েই আসে। আইজকা যদি উঠিয়ে দেয় কি কইরা খামু। টাকা নেয় নেওক বসবারতো পারি। দুটো ডালভাত খাইয়া তো বাঁচবার পারতাছি এটাই অনেক।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলমের নিকট প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিঁনি জানান পূর্বে আমরা এ বিষয়টি অবগত ছিলাম না। যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো এবং যদি এই চাঁদাবাজির সাথে পুলিশ প্রশাসনের কেউ জড়িত থাকে তবে তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন