ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রতিবাদে ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ফিলিস্তিনপন্থি শত শত আন্দোলনকারী।
সোমবার অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিনের পতাকা বহন করেন এবং ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের সমালোচনা করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—‘যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধযন্ত্র বন্ধ কর’, ‘ওয়াশিংটনে ইসরাইলের প্রভাব উন্মোচন কর’ এবং ‘ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকারও গুরুত্বপূর্ণ’।
নেতানিয়াহু মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পরও হোয়াইট হাউসের সামনে এই বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে।
ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বৈঠকে গাজা পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার অষ্টম বৈঠক।
বৈঠক শেষে নেতানিয়াহুর প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের স্মরণসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এদিকে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সমালোচনা করে আসছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও ফিলিস্তিনপন্থি গোষ্ঠী। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন গাজার মানবিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।
আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। নিহতদের বড় অংশ নারী ও শিশু।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রতিবাদে ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ফিলিস্তিনপন্থি শত শত আন্দোলনকারী।
সোমবার অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিনের পতাকা বহন করেন এবং ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের সমালোচনা করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—‘যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধযন্ত্র বন্ধ কর’, ‘ওয়াশিংটনে ইসরাইলের প্রভাব উন্মোচন কর’ এবং ‘ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকারও গুরুত্বপূর্ণ’।
নেতানিয়াহু মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পরও হোয়াইট হাউসের সামনে এই বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে।
ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বৈঠকে গাজা পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার অষ্টম বৈঠক।
বৈঠক শেষে নেতানিয়াহুর প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের স্মরণসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এদিকে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সমালোচনা করে আসছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও ফিলিস্তিনপন্থি গোষ্ঠী। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন গাজার মানবিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।
আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। নিহতদের বড় অংশ নারী ও শিশু।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন