আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইসরাইলের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক অঙ্গনের প্রায় ৬০০ সাবেক কর্মকর্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী সাবেক কর্মকর্তারা ইসরাইল সরকারের বসতি সম্প্রসারণ নীতি এবং বসতি স্থাপনকারীদের ভূমি দখলে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের নীতি শুধু ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে না, বরং ট্রাম্পের আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের উদ্যোগকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইনসহ কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। তবে চুক্তি প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিন ইস্যুটি অনেকটাই আড়ালে চলে যায় বলে সমালোচনা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চিঠিটির মূল উদ্দেশ্য হলো হোয়াইট হাউসের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করা এবং স্বাক্ষরকারীদের দৃষ্টিতে পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিশ্চিত করা।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মহলের আগের কিছু সতর্কবার্তার সঙ্গেও এই অবস্থানের মিল রয়েছে। সেখানে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল যে, বসতি স্থাপনকারীদের একাংশের কর্মকাণ্ড ক্রমেই ইসরাইলি নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে এবং এর ফলে ইসরাইলি সেনারাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
তবে চিঠির বিষয়ে ইসরাইল সরকার বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইসরাইলের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক অঙ্গনের প্রায় ৬০০ সাবেক কর্মকর্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী সাবেক কর্মকর্তারা ইসরাইল সরকারের বসতি সম্প্রসারণ নীতি এবং বসতি স্থাপনকারীদের ভূমি দখলে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের নীতি শুধু ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে না, বরং ট্রাম্পের আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের উদ্যোগকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইনসহ কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। তবে চুক্তি প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিন ইস্যুটি অনেকটাই আড়ালে চলে যায় বলে সমালোচনা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চিঠিটির মূল উদ্দেশ্য হলো হোয়াইট হাউসের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করা এবং স্বাক্ষরকারীদের দৃষ্টিতে পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিশ্চিত করা।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মহলের আগের কিছু সতর্কবার্তার সঙ্গেও এই অবস্থানের মিল রয়েছে। সেখানে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল যে, বসতি স্থাপনকারীদের একাংশের কর্মকাণ্ড ক্রমেই ইসরাইলি নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে এবং এর ফলে ইসরাইলি সেনারাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
তবে চিঠির বিষয়ে ইসরাইল সরকার বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন