স্পোর্টস ডেস্ক
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘের (ইউএন) পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বিশ্বকাপ আয়োজনকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প ও সুইস বংশোদ্ভূত ইনফান্তিনোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে জানানো হয়, ইনফান্তিনোকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখেন ট্রাম্প, যিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মানিত এবং বিভিন্ন পক্ষকে একত্রিত করার সক্ষমতা রাখেন।
বর্তমান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষে শেষ হচ্ছে। এরপর নতুন মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ পদে নির্বাচিত হতে হলে প্রথমে ১৫ সদস্যের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন এবং পরে সাধারণ পরিষদের সমর্থন প্রয়োজন হবে।
তবে ইনফান্তিনো নিজে এ পদে আগ্রহী কি না, কিংবা এ বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় ইনফান্তিনোকে শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছেন ট্রাম্প। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাশেলেট এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।
ট্রাম্পের বিশেষ দূত পাওলো জামপোল্লি নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ইনফান্তিনো আন্তর্জাতিক সংগঠন পরিচালনায় দক্ষ এবং ফিফার ২০০-এর বেশি সদস্য দেশের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা জাতিসংঘ পরিচালনায়ও কাজে লাগতে পারে। তার মতে, খেলাধুলার মাধ্যমে বৈশ্বিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন ইনফান্তিনো।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন। হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তিনি জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক অনুদান কমিয়েছেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদসহ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা সীমিত করেছেন।
অন্যদিকে, ইনফান্তিনো ইতোমধ্যে ফিফা সভাপতি পদে আবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী মার্চে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাই তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব পদে প্রার্থী হবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
স্পোর্টস ডেস্ক
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘের (ইউএন) পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বিশ্বকাপ আয়োজনকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প ও সুইস বংশোদ্ভূত ইনফান্তিনোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে জানানো হয়, ইনফান্তিনোকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখেন ট্রাম্প, যিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মানিত এবং বিভিন্ন পক্ষকে একত্রিত করার সক্ষমতা রাখেন।
বর্তমান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষে শেষ হচ্ছে। এরপর নতুন মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ পদে নির্বাচিত হতে হলে প্রথমে ১৫ সদস্যের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন এবং পরে সাধারণ পরিষদের সমর্থন প্রয়োজন হবে।
তবে ইনফান্তিনো নিজে এ পদে আগ্রহী কি না, কিংবা এ বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় ইনফান্তিনোকে শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছেন ট্রাম্প। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাশেলেট এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।
ট্রাম্পের বিশেষ দূত পাওলো জামপোল্লি নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ইনফান্তিনো আন্তর্জাতিক সংগঠন পরিচালনায় দক্ষ এবং ফিফার ২০০-এর বেশি সদস্য দেশের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা জাতিসংঘ পরিচালনায়ও কাজে লাগতে পারে। তার মতে, খেলাধুলার মাধ্যমে বৈশ্বিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন ইনফান্তিনো।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন। হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তিনি জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক অনুদান কমিয়েছেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদসহ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা সীমিত করেছেন।
অন্যদিকে, ইনফান্তিনো ইতোমধ্যে ফিফা সভাপতি পদে আবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী মার্চে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাই তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব পদে প্রার্থী হবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

আপনার মতামত লিখুন