ডেস্ক নিউজ দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে রপ্তানি খাতের সার্বিক প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পোশাক তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ (BGMEA) এবং ইকোনমিক রিজুভেনেশন অ্যান্ড রিফর্মস (ECR) আয়োজিত এক যৌথ সংলাপে ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা এ তাগিদ দেন। বিশ্ববাজারে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে তাল মেলাতে ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ শর্তে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যাংক ঋণ সরবরাহ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়। রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প বাজারে প্রবেশের জন্য কার্যকর ও ব্যবসা-বান্ধব নতুন বাণিজ্য নীতি গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। দেশে গ্যাসে ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং লজিস্টিক জটিলতার কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে; এই চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে কার্যকর জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত সহায়তার আহ্বান জানানো হয়। শুধুমাত্র ঐতিহ্যবাহী সুতি পোশাকের ওপর নির্ভর না করে কৃত্রিম তন্তু বা ম্যান-মেড ফাইবারের (MMF) পোশাক উৎপাদনে মনোযোগ এবং নতুন নতুন বিশ্ববাজারে প্রবেশের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার ওপর আলোচনা হয়। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা একমত হন যে, জাতীয় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষায় তৈরি পোশাকসহ পুরো রপ্তানি খাতের জন্য নীতিগত সুবিধা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
ডেস্ক নিউজ দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে রপ্তানি খাতের সার্বিক প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পোশাক তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ (BGMEA) এবং ইকোনমিক রিজুভেনেশন অ্যান্ড রিফর্মস (ECR) আয়োজিত এক যৌথ সংলাপে ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা এ তাগিদ দেন। বিশ্ববাজারে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে তাল মেলাতে ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ শর্তে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যাংক ঋণ সরবরাহ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়। রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প বাজারে প্রবেশের জন্য কার্যকর ও ব্যবসা-বান্ধব নতুন বাণিজ্য নীতি গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। দেশে গ্যাসে ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং লজিস্টিক জটিলতার কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে; এই চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে কার্যকর জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত সহায়তার আহ্বান জানানো হয়। শুধুমাত্র ঐতিহ্যবাহী সুতি পোশাকের ওপর নির্ভর না করে কৃত্রিম তন্তু বা ম্যান-মেড ফাইবারের (MMF) পোশাক উৎপাদনে মনোযোগ এবং নতুন নতুন বিশ্ববাজারে প্রবেশের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার ওপর আলোচনা হয়। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা একমত হন যে, জাতীয় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষায় তৈরি পোশাকসহ পুরো রপ্তানি খাতের জন্য নীতিগত সুবিধা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন