দেশের মানুষের জন্য বিশুদ্ধ, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের ছোট-বড় খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন বা 'সেফটি রেজিস্ট্রেশন' নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত 'নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা' গেজেট আকারে জারি করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA)। খাবার প্রস্তুতকারী কারখানা, হোটেল-রেস্তোরাঁ, প্যাকেজজাত খাদ্য বিক্রেতা থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের সব খাদ্য ব্যবসায়ীকে নির্ধারিত নিয়মে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধনের মেয়াদ থাকবে ৩ বছর। তবে প্রিমিসেস লাইসেন্স পাওয়ার ২ বছরের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে ব্যর্থ হলে সেই লাইসেন্স বাতিল বলে গণ্য হবে। খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ বা মজুদের কাজে ব্যবহৃত প্রতিটি পৃথক কারখানা বা গুদামের (উন্নয়ন ও সরবরাহ কেন্দ্র) জন্য আলাদা আলাদা প্রিমিসেস লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। দেশের নিবন্ধিত খাদ্য ব্যবসায়ীদের একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন ডাটাবেজের আওতায় আনা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাজার মনিটরিং এবং খাদ্যে ভেজাল বা অনিয়ম চিহ্নিত করা আরও সহজ হবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, অনিরাপদ খাদ্য সরবরাহ রোধ এবং ভোক্তা অধিকার রক্ষায় এই পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। নতুন নিয়ম অনুসরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
দেশের মানুষের জন্য বিশুদ্ধ, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের ছোট-বড় খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধন বা 'সেফটি রেজিস্ট্রেশন' নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত 'নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা' গেজেট আকারে জারি করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA)। খাবার প্রস্তুতকারী কারখানা, হোটেল-রেস্তোরাঁ, প্যাকেজজাত খাদ্য বিক্রেতা থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের সব খাদ্য ব্যবসায়ীকে নির্ধারিত নিয়মে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিবন্ধনের মেয়াদ থাকবে ৩ বছর। তবে প্রিমিসেস লাইসেন্স পাওয়ার ২ বছরের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে ব্যর্থ হলে সেই লাইসেন্স বাতিল বলে গণ্য হবে। খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ বা মজুদের কাজে ব্যবহৃত প্রতিটি পৃথক কারখানা বা গুদামের (উন্নয়ন ও সরবরাহ কেন্দ্র) জন্য আলাদা আলাদা প্রিমিসেস লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। দেশের নিবন্ধিত খাদ্য ব্যবসায়ীদের একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন ডাটাবেজের আওতায় আনা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাজার মনিটরিং এবং খাদ্যে ভেজাল বা অনিয়ম চিহ্নিত করা আরও সহজ হবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, অনিরাপদ খাদ্য সরবরাহ রোধ এবং ভোক্তা অধিকার রক্ষায় এই পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। নতুন নিয়ম অনুসরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন