আজ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে যেসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেগুলো খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ সেল কাজ করবে। মামলার মেরিট এবং তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে প্রকৃত নির্দোষ ব্যক্তিদের অব্যাহতি ও মামলা প্রত্যাহারের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। তিনি আরও বলেন: "বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কোনো নাগরিক যেন আইনি ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" সংবাদ সম্মেলনে আইন ও বিচার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী আশ্বাস দেন যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তালিকা প্রণয়ন করা হবে।অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে দায়ের হওয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা হয়রানিমূলক মামলাগুলো নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করে তা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
আজ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে যেসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেগুলো খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ সেল কাজ করবে। মামলার মেরিট এবং তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে প্রকৃত নির্দোষ ব্যক্তিদের অব্যাহতি ও মামলা প্রত্যাহারের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। তিনি আরও বলেন: "বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কোনো নাগরিক যেন আইনি ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" সংবাদ সম্মেলনে আইন ও বিচার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী আশ্বাস দেন যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তালিকা প্রণয়ন করা হবে।অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে দায়ের হওয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা হয়রানিমূলক মামলাগুলো নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করে তা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন